“উক্ত সাম্য ব্যতীত রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন।"- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত সাম্য অর্থাৎ অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন- উক্তিটি যথার্থ। জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব মানুষেরই সম্পাদিত কাজের ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুবিধা লাভই অর্থনৈতিক সাম্য। অর্থাৎ অর্থনৈতিক সাম্য বলতে দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুসারে আয় ও ধনসম্পদে প্রত্যেক ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা লাভের সমতাকে বোঝায়। অর্থনৈতিক সাম্য ছাড়া রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে পড়ে। কেননা, ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য সবার আগে প্রয়োজন অর্থনৈতিক সাম্য। রাষ্ট্রের শাসনকার্যে অংশগ্রহণের নিমিত্তে নাগরিকগণ যে স্বাধীনতা ভোগ করে, তা-ই রাজনৈতিক স্বাধীনতা। রাজনৈতিক স্বাধীনতা তখনই অর্জিত হয় যখন অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা এবং সুযোগ-সুবিধা অর্জন করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের নাগরিকরা রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয় এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা দিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়। রাষ্ট্রে অর্থনৈতিক সাম্য থাকলে জনগণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। ফলে তারা নিজেদেরকে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে উৎসাহী হয়। সেই সাথে তারা রাষ্ট্রের প্রতি অর্থনৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করে। সেজন্য রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে অর্থনৈতিক সাম্য নিশ্চিত করতে হবে। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, অর্থনৈতিক সাম্য ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সাম্য রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলে।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
“উক্ত সাম্য ব্যতীত রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন।"- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
Comilla · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর