শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত ঘটনার প্রতিক্রিয়া উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত বঙ্গভঙ্গ ঘটনার ফলে পূর্ব বাংলার রাজনীতি সচেতন জাতি একে স্বাগত জানালেও অন্য গোষ্ঠী অর্থাৎ হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়। এর প্রেক্ষিতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। উঁচু তলার মানুষ অর্থাৎ পুঁজিপতি, শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত, জমিদার, আইনজীবী, সংবাদপত্রের মালিক, রাজনীতিবিদ ব্যক্তিগত স্বার্থরক্ষায় অথবা জাতীয় ঐক্যের মহৎ আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষে অবস্থান নেয়। বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষের নেতৃবৃন্দ পত্রপত্রিকায়, বক্তৃতামঞ্চে বঙ্গভঙ্গকে 'বাঙালি বিরোধী', 'জাতীয়তাবাদী বিরোধী' এবং 'বঙ্গমাতার অঙ্গচ্ছেদ', 'জাতীয় দুর্যোগ' ইত্যাদি বিশেষণে আখ্যায়িত করে। সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী, বিপিনচন্দ্র পাল, অরবিন্দু ঘোষ, অশ্বিনী কুমার দত্ত, বালগঙ্গাধর তিলকসহ গোখলের মতো উদারপন্থি নেতারা বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান নেন। বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষের নেতৃবৃন্দ ব্রিটিশ জিনিসপত্র বর্জন, শোক পালন ও সরকারি অঙ্গসংগঠনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। এ আহ্বানকে ডি. এল. রায়, রজনীকান্ত সেন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে জনপ্রিয় করে তোলা হয়। পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, পুনা, মাদ্রাজ, বোম্বে ও অন্যান্য নগরেও ব্রিটিশ পণ্য বর্জনের আহ্বানের সাড়া পাওয়া যায়। হিন্দু উদ্যোক্তারা কাপড়ের মিল থেকে শুরু করে দিয়াশলাই কারখানা, কাচ গলিয়ে জিনিসপত্র তৈরির দোকান, লোহা ও ইস্পাতের ঢালাই কারখানা স্থাপন করেন। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী বিক্ষোভ শুরুর দিকে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক ছিল; কিন্তু পরবর্তীতে আন্দোলনটি নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলার দিকে মোড় নেয়। অতঃপর বিভিন্ন বিক্ষোভ ও হত্যাযজ্ঞের মুখে ব্রিটিশ সরকার নতি স্বীকার করে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করে। সুতরাং উদ্দীপকের আলোকে আলোচনার প্রেক্ষিতে দেখা যায়, বঙ্গভঙ্গের প্রতিক্রিয়াসমূহ ছিল শক্তিশালী এবং ফলপ্রসূ।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উক্ত ঘটনার প্রতিক্রিয়া উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

দেশটিতে ঔপনিবেশিক শাসন বিরাজমান ছিল। ওই দেশের একটি অঞ্চল অধিকতর রাজনৈতিক সচেতন ছিল। শাসক গোষ্ঠী তাদের সুবিধার্থে ওই অঞ্চলটি ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হওয়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়। চট্টগ্রাম কলেজ

উত্তর

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দেওয়ানি লাভ করে ১৭৬৫ সালে

উত্তর

১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে মীর কাশিম বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর নিকট পরাজিত হন। এ পরাজয়ের কারণ ছিল বহুবিধ। যেমন- মীর জাফরের হঠকারী শাসনের দরুন বাংলার অর্থনীতি যখন বিপর্যন্ত এবং তিনি যখন ইংরেজদের দাবি-দাওয়া মেটাতে ব্যর্থ হন তখন তার অপসারিত জায়গায় বাংলার মসনদে অধিষ্ঠিত হন মীর কাশিম। তবে মীর জাফরের মতো তিনি অযোগ্য ও হীনচরিত্রের ছিলেন না। ইংরেজদের সাথে তার যুদ্ধ অনিবার্য বুঝতে পেরে যুদ্ধ প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছিলেন। প্রস্তুতি শেষ না হতেই ইংরেজদের সাথে তার যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে পড়ে। অপ্রস্তুত বাহিনী নিয়ে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে পরাজিত হওয়া তখন স্বাভাবিক হয়ে যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে বাংলার ঔপনিবেশিক শাসনামলের বঙ্গভঙ্গ ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ব্রিটিশ ভারতের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন বঙ্গ প্রেসিডেন্সিকে ভাগ করে দুটি নতুন প্রদেশ গঠন করেন। লর্ড কার্জনের সময় বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন ছিল প্রায় ১,৭৯,০০০ বর্গমাইল এবং লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ৭৯ লক্ষ। এত বড় প্রদেশে একজন মাত্র গভর্নর দ্বারা পরিচালনা সম্ভব ছিল না। তাই প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কারণে এটা বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ 'পরিকল্পনা কার্যকর করা হয়। এ পরিকল্পনা অনুসারে বাংলাকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগ এবং আসাম নিয়ে পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ঢাকাকে নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় এবং এর শাসনভার অর্পণ করা হয় স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার নামে একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নরের ওপর। কলকাতাকে রাজধানী করে অবিভক্ত বাংলার অন্যান্য অংশ নিয়ে 'বঙ্গ প্রদেশ' প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু এই বঙ্গভঙ্গের প্রতি হিন্দু সমাজ ও কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত তীব্র ও নেতিবাচক। উচ্চ ও মধ্যবিত্ত হিন্দুরা নিজেদের অর্থনৈতিক ও পেশাগত স্বার্থে এর বিরুদ্ধে সরকারের নিকট শত শত প্রতিবাদপত্র প্রেরণ করে এবং নিজেদের পক্ষে হাজার হাজার সভা করে। বঙ্গভঙ্গের উদ্যোক্তা লর্ড কার্জনের সমালোচনা করে এবং এর প্রতি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে কংগ্রেস একে রদ করার জন্য প্রবল আন্দোলন সংঘটিত করে। এ অবস্থা দেখে ব্রিটিশ সরকার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং বিক্ষোভ ও হত্যাযজ্ঞের মুখে নতি স্বীকার করে ১৯১১ সালে এটি রদ করে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বঙ্গভঙ্গ ঘটনার ফলে পূর্ব বাংলার রাজনীতি সচেতন জাতি একে স্বাগত জানালেও অন্য গোষ্ঠী অর্থাৎ হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়। এর প্রেক্ষিতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। উঁচু তলার মানুষ অর্থাৎ পুঁজিপতি, শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত, জমিদার, আইনজীবী, সংবাদপত্রের মালিক, রাজনীতিবিদ ব্যক্তিগত স্বার্থরক্ষায় অথবা জাতীয় ঐক্যের মহৎ আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষে অবস্থান নেয়। বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষের নেতৃবৃন্দ পত্রপত্রিকায়, বক্তৃতামঞ্চে বঙ্গভঙ্গকে 'বাঙালি বিরোধী', 'জাতীয়তাবাদী বিরোধী' এবং 'বঙ্গমাতার অঙ্গচ্ছেদ', 'জাতীয় দুর্যোগ' ইত্যাদি বিশেষণে আখ্যায়িত করে। সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী, বিপিনচন্দ্র পাল, অরবিন্দু ঘোষ, অশ্বিনী কুমার দত্ত, বালগঙ্গাধর তিলকসহ গোখলের মতো উদারপন্থি নেতারা বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান নেন। বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষের নেতৃবৃন্দ ব্রিটিশ জিনিসপত্র বর্জন, শোক পালন ও সরকারি অঙ্গসংগঠনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। এ আহ্বানকে ডি. এল. রায়, রজনীকান্ত সেন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে জনপ্রিয় করে তোলা হয়। পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, পুনা, মাদ্রাজ, বোম্বে ও অন্যান্য নগরেও ব্রিটিশ পণ্য বর্জনের আহ্বানের সাড়া পাওয়া যায়। হিন্দু উদ্যোক্তারা কাপড়ের মিল থেকে শুরু করে দিয়াশলাই কারখানা, কাচ গলিয়ে জিনিসপত্র তৈরির দোকান, লোহা ও ইস্পাতের ঢালাই কারখানা স্থাপন করেন। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী বিক্ষোভ শুরুর দিকে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক ছিল; কিন্তু পরবর্তীতে আন্দোলনটি নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলার দিকে মোড় নেয়। অতঃপর বিভিন্ন বিক্ষোভ ও হত্যাযজ্ঞের মুখে ব্রিটিশ সরকার নতি স্বীকার করে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করে। সুতরাং উদ্দীপকের আলোকে আলোচনার প্রেক্ষিতে দেখা যায়, বঙ্গভঙ্গের প্রতিক্রিয়াসমূহ ছিল শক্তিশালী এবং ফলপ্রসূ।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

  • রাজস্ব সংস্কারে
  • স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে
  • পুলিশ বিভাগের উন্নয়নে
  • শিক্ষার উন্নয়নে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

  • মালিক সুলেমান
  • খিজির খান
  • মুবারক শাহ
  • মুহম্মদ শাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

  • আর্য
  • দ্রাবিড়
  • শক
  • কুষাণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

  • আর্য
  • শক্
  • হুন
  • দ্রাবিড়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

  • ড. শাসসুজ্জোহা ও আসাদ
  • তিউর ও বাবুল
  • সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ওয়াজিউল্লাহ
  • মনু মিয়া ও মতিউর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

  • ২৫ জন
  • ২৮ জন
  • ৩০ জন
  • ৩৫ জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

  • আগ্রাবাদ
  • কালুরঘাট
  • মুজিবনগর
  • মেহেরপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

  • হাসান
  • ইব্রাহিম
  • ফরিদ
  • ফজল

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

  • দাক্ষিণাত্য
  • দৌলতাবাদ
  • মুফাস্সরবাদ
  • আফগানপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।