উদ্দীপকের সাথে পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল লক্ষ করা যায়।
১৯৪৭ সালে ধর্মীয় চেতনার মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র আত্মপ্রকাশ করে। শুরু থেকেই পশ্চিম পকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার ওপর নানা বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করে। প্রথমেই তারা আঘাত হানে বাঙালির ভাষার ওপর। পূর্ব পাকিস্তান তথা পূর্ব বাংলার অধিবাসীদের মাতৃভাষা বাংলা। তাই সমগ্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার অন্যায় ঘোষণার প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। উদ্দীপকে এই বিষয়টির মিল লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ধর্মীয় চেতনার ভিত্তিতে দেশটি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু শাসক গোষ্ঠী একটি অঞ্চলের ইতিহাস ঐতিহ্য, ভাষাকে উপেক্ষা করলে অঞ্চলটিতে ধারাবাহিক আন্দোলন শুরু হয়। উদ্দীপকের মতই পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক বাংলা ভাষাকে উপেক্ষা করার নীতি গ্রহণ করে।
উদ্দীপকের মতোই পশ্চিম পাকিস্তানিদের নীতির প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলনের পর বাংলার ধারাবাহিক আন্দোলন গড়ে ওঠে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে পাকিস্তানামলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে ।