শেয়ারFacebookWhatsApp

পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের আরোপিত সামরিক বৈষম্য ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর: পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক বৈষম্য ছিল সীমাহীন। পূর্ব পাকিস্তান ছিল ভৌগোলিক দিক থেকে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকেরা এর নিরাপত্তার ব্যাপারে কোনো নিশ্চিত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। ফলে পূর্ব পাকিস্তানের সীমান্ত প্রায়ই অরক্ষিত থাকত। আইয়ুব খানের এক দশকের শাসনামলে সামরিক খাতে জাতীয় বাজেটের শতকরা ৬০ ভাগ ব্যয় করা হয়েছে। এ বিপুল বরাদ্দের দায়ভার পূর্ব পাকিস্তানকেও বহন করতে হয়েছে। তবে পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এর কোনো প্রভাব দেখা যায় না। শুধু তাই নয়, এ সময় দু'অঞ্চলের মধ্যে সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রেও বৈষম্য ছিল সীমাহীন । পাকিস্তানের দেশরক্ষা বাহিনীর তিনটি সদর দপ্তরই ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। সামরিক বাহিনীর চাকরির ক্ষেত্রেও পশ্চিম পাকিস্তানিদের অবস্থান ছিল একচেটিয়া ।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের আরোপিত সামরিক বৈষম্য ব্য…

উদ্দীপক

একই রাষ্ট্রকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও মৌরিতানিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের জনগোষ্ঠী নাগরিক জীবনে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক আরোপিত নানা বৈষম্যের শিকার হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণে পূর্বাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে। পূর্বলের জনপ্রিয় এক মহান নেতার নেতৃত্বে নাগরিক অধিকার বঞ্চিত পূর্বাঞ্চলের জনগণ তাদের নাগরিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রাম শুরু করে। জনপ্রিয় এই মহান নেতাকে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করতে কেন্দ্রীয় সরকার তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2024

উত্তর

আগরতলা মামলা ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে দায়ের করা হয়েছিল ।

উত্তর

পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক বৈষম্য ছিল সীমাহীন। পূর্ব পাকিস্তান ছিল ভৌগোলিক দিক থেকে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকেরা এর নিরাপত্তার ব্যাপারে কোনো নিশ্চিত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। ফলে পূর্ব পাকিস্তানের সীমান্ত প্রায়ই অরক্ষিত থাকত। আইয়ুব খানের এক দশকের শাসনামলে সামরিক খাতে জাতীয় বাজেটের শতকরা ৬০ ভাগ ব্যয় করা হয়েছে। এ বিপুল বরাদ্দের দায়ভার পূর্ব পাকিস্তানকেও বহন করতে হয়েছে। তবে পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এর কোনো প্রভাব দেখা যায় না। শুধু তাই নয়, এ সময় দু'অঞ্চলের মধ্যে সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রেও বৈষম্য ছিল সীমাহীন । পাকিস্তানের দেশরক্ষা বাহিনীর তিনটি সদর দপ্তরই ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। সামরিক বাহিনীর চাকরির ক্ষেত্রেও পশ্চিম পাকিস্তানিদের অবস্থান ছিল একচেটিয়া ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মামলার সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার মিল রয়েছে। সামরিক ও স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের শাসনামলের সবচেয়ে ঘৃণ্য ও প্রহসনমূলক ঘটনা হলো ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা। পূর্ব পাকিস্তানে ছয় দফাভিত্তিক আন্দোলন নস্যাৎ করে এ অঞ্চলে আইয়ুব খানের ক্ষমতা ও প্রভাব বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাথায় রেখেই এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। তবে গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান এ মামলা প্রত্যাহার করেন। এমনকি পদত্যাগ করতেও বাধ্য হন। অনুরূপ প্রতিচ্ছবি উদ্দীপকেও লক্ষণীয়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে একই রাষ্ট্রকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও মৌরিতানিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের জনগোষ্ঠী নাগরিক জীবনে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক আরোপিত নানা বৈষম্যের শিকার হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণে পূর্বাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে। পূর্বঞ্চলের জনপ্রিয় এক 'মহান নেতার নেতৃত্বে নাগরিক অধিকার বঞ্চিত পূর্বাঞ্চলের জনগণ তাদের নাগরিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রাম শুরু করে। জনপ্রিয় এই মহান নেতাকে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করতে কেন্দ্রীয় সরকার তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। একইভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে ক্ষমতা দখল করেন । তিনি ক্ষমতায় এসেই সামরিক আইন জারি করেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ জনগণের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেন। তার এরূপ সামরিক ও স্বৈরাচারী শাসন এবং দমন-পীড়নে পূর্ব বাংলার জনজীবনে চরম দুঃখ-দুর্দশা নেমে আসে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির ন্যায়সঙ্গত অধিকার সংবলিত ছয়দফা দাবি পেশ করেন। সামরিক সরকার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করলে বাঙালিরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। এ পরিস্থিতিতে আইয়ুব সরকার বাঙালির জাতীয়তাবাদী আন্দোলন নস্যাৎ এবং বঙ্গবন্ধুকে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে তাকে প্রধান আসামি করে মোট ৩৫ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি একটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করে। এটিই ইতিহাসে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা নামে খ্যাত। এ মামলা, পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়, যেটি পরবর্তী সময়ে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় । ফলে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান মামলা প্রত্যাহার করেন এবং ২৫ মার্চ পদত্যাগে বাধ্য হন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার চিত্র ফুটে উঠেছে।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মামলাটি অর্থাৎ আগরতলা মামলাটি পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল— উক্তিটি যুক্তিসঙ্গত । বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৬৮ সালের আগরতলা মামলা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পূর্ব পাকিস্তানকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল ও নেতৃত্বশূন্য করে এ অঞ্চলে স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের ক্ষমতা ও প্রভাব বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাথায় রেখেই এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। তবে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এবং গণদাবির মুখে শেষ পর্যন্ত সরকারের উদ্দেশ্য সফল হয়নি I উদ্দীপকে আলোচিত মামলাটি ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ মামলার গুরুত্ব ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। পাকিস্তান সরকার যে লক্ষ্য নিয়ে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা দায়ের করেছিল তা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় । পত্র-পত্রিকায় প্রতিদিন মামলার বিবরণ প্রকাশ করা হলে জনগণের মধ্যে পাকিস্তান সরকারের বিপক্ষে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এ মামলার ফলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ পশ্চিম পাকিস্তানভিত্তিক শাসকশ্রেণি এবং তাদের এ দেশীয় সমর্থকদের বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়। জনগণ বিচ্ছিন্নতাবাদী ষড়যন্ত্রের কথা বিশ্বাস করার পরিবর্তে এ মামলাকে বাঙালিদের স্বাধিকার আদায়কারী আন্দোলন দমন করার জন্য পাঞ্জাবিদের ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতায় পরিণত হন। ছয় দফা ও এগারো দফা কর্মসূচি এ সময় গণদাবিতে পরিণত হয়। উক্ত মামলার বিবাদীপক্ষের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্বায়ত্তশাসনের দাবি ও এর যৌক্তিকতা প্রচার করার চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি হয়। অবশ্য পরের বছর ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার মামলাটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরই মধ্য দিয়ে পাকিস্তান সরকারের দুর্বলতা প্রমাণিত হয় এবং বাঙালি জাতির মধ্যে স্বাধীনতার চেতনা বৃদ্ধি পেতে থাকে । উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, আগরতলা মামলা ছিল একটি প্রহসনের মামলা। তাই এর বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়। ফলে গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন। এটি ছিল বাঙালির জন্য এক বিরাট বিজয়। অন্যদিকে এ মামলা ছিল আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের আত্মঘাতী পরাজয়। তাই বলা যায়, এ মামলাটি রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল ।
HSCIslamic History 2nd paperআদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা 2024
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

  • রাজস্ব সংস্কারে
  • স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে
  • পুলিশ বিভাগের উন্নয়নে
  • শিক্ষার উন্নয়নে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

  • মালিক সুলেমান
  • খিজির খান
  • মুবারক শাহ
  • মুহম্মদ শাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

  • আর্য
  • দ্রাবিড়
  • শক
  • কুষাণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

  • আর্য
  • শক্
  • হুন
  • দ্রাবিড়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

  • ড. শাসসুজ্জোহা ও আসাদ
  • তিউর ও বাবুল
  • সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ওয়াজিউল্লাহ
  • মনু মিয়া ও মতিউর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

  • ২৫ জন
  • ২৮ জন
  • ৩০ জন
  • ৩৫ জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

  • আগ্রাবাদ
  • কালুরঘাট
  • মুজিবনগর
  • মেহেরপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

  • হাসান
  • ইব্রাহিম
  • ফরিদ
  • ফজল

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

  • দাক্ষিণাত্য
  • দৌলতাবাদ
  • মুফাস্সরবাদ
  • আফগানপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।