বাঙ্গালীদের বাঙ্গালীদের বৈষম্যের হাত থেকে বাঁচাতে এবং অধিকার ফিরিয়ে দিতে ছয় দফা ঘোষণা করা হয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রটি সৃষ্টির পর থেকেই বাঙ্গালীরা বৈষম্যের শিকার হতে থাকে। পূর্ব বাংলা থেকে আয় করে সে আয় পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নে ব্যবহার করতে থাকে। হলে দিন দিন আর্য অধিকার হারাতে থাকে বাঙালিরা। এরই ফলশ্রুতিতে বাঙ্গালীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে দিতে এবং সামাজিক, রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও সাময়িক বৈষম্য থেকে মুক্তি দিতে ছয় দফা ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উদ্দীপকেও মহিষ খোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এলাকাভিত্তিকভাবে উন্নয়ন করায় উন্নয়ন এলাকার উন্নয়ন না হওয়ায় মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন হয়। এর বিরুদ্ধে যখন মানুষজন প্রতিবাদ করে তখন তাদের দমিয়ে রাখতে সুজাউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে গ্রেপ্তার করান। অবশ্য পরবর্তীতে জনগণের আন্দোলনের মুখে তিনি মামলা প্রত্যাহার করে সুজাউদ্দিনের মুক্তির ব্যবস্থা করেন। তাই বলা যায়, অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জনগণের আন্দোলন, সেই আন্দোলন রুখে দিতে মিথ্যা মামলা দায়ের করা এবং পরবর্তীতে আন্দোলনের মুখে আসামিদের মুক্তি দেওয়া ও মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ের দিক থেকে উদ্দীপকের সাথে পাকিস্তান আমলের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা সাদৃশ্য রয়েছে।