জুয়েলের এ নেতার এসব বাণীর পর ভারত বিভক্তির পটভূমি। তৈরি হয়- ব্যাখ্যা দাও।
উত্তর: জুয়েল যে নেতার বক্তব্যে বা আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তিনি' হচ্ছেন মহাত্মা গান্ধী। তার বাণী বা ভাষণের পরই ভারত বিভক্তির পটভূমি তৈরি হয়। বিশ শতকের গোড়ার দিক থেকে মুসলমানদের মধ্যে মুসলিম জাতীয়তা এবং হিন্দুদের মধ্যে ধর্মীয় জাতীয়তা প্রবল আকার ধারণ করতে থাকে। এর ফলে উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে থাকে। তবে বিভিন্ন সময় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ভারত শাসন আইনের আওতায় নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখা দিলে ঐক্যে আবার ভাঙন দেখা দেয়। ভারতবর্ষে হিন্দু-মুসলিম আলাদা জাতি এ মর্মে স্বীকৃতি দিয়ে মুসলিম লীগ লাহোর প্রস্তাব গ্রহণ করে। এর ফলে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ লাহোর প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হতে থাকে। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে ব্রিটিশ সরকার বেশ বেকায়দায় পড়ে। ব্রিটিশদের মিত্রশক্তি সর্বত্র পশ্চাদপসরণ করে। এরূপ পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকার অঙ্গীকার করে, যুদ্ধ শেষে তারা ভারতের স্বাধীনতা প্রদান করবে। শ্রমিকদলীয় নেতা ক্লিপস ১৯৪২ সালে ভারতে এসে সকল মহলের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব দিতে ব্যর্থ হন। এ সময় ভারতীয়দের মনে জার্মান কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ চিন্তা থেকে এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মাধ্যমে ইংরেজদের ভারত ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। ক্রিপসের ব্যর্থতার পরপরই গান্ধী তার সত্যাগ্রহ 'ভারত ছাড়' আন্দোলনের শুরু করেন। মহাত্মা গান্ধী এক ঘোষণায় বলেন, "আমি অবিলম্বে স্বাধীনতা চাই। এমনটি এ রাত্রির মধ্যেই।” তিনি আরও বলেন, "আমরা লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করব। আর এটি হবে আমাদের জীবনের শেষ লড়াই।” ইংরেজরা এতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তারা দমন নীতি গ্রহণ করে। কংগ্রেসের বহু শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ গ্রেফতার হয়। ফলে আন্দোলন সহিংস রূপ লাভ করে। এ অবস্থায় ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে সৃষ্ট কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ মানুষকে আরও ব্রিটিশ বিরোধী করে তোলে।
HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল
জুয়েলের এ নেতার এসব বাণীর পর ভারত বিভক্তির পটভূমি। তৈরি হয়- ব্যাখ্য…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর