শেয়ারFacebookWhatsApp

গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায় ?

উত্তর: গণঅভ্যুত্থান বলতে কোনো স্বৈরশাসনের অগণতান্ত্রিক আচরণের বিরুদ্ধে সকল শ্রেণীর মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে বোঝায়। অভ্যুত্থান শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ হচ্ছে আকস্মিকভাবে সরকারের বিরুদ্ধে অবরোধ করা। অনানুষ্ঠানিকভাবে অভ্যুত্থান শব্দটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়ে থাকে। সুতরাং গণঅভ্যুত্থান বলতে কোনো স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সব শ্রেণির মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে বোঝায়। যেমন— ১৯৬৯ সালে স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র, পেশাজীবী, কৃষক-শ্রমিক তথা সব শ্রেণির মানুষ আন্দোলন করে, যা গণঅভ্যূত্থানে পরিণত হয়। ফলে আইয়ুব খান ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। আবার ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে এদেশের মানুষ স্বৈরশাসক এরশাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান গড়ে তুলেছিল ।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

গণঅভ্যুত্থান বলতে কী বোঝায় ?

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের জনগণ সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু করে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে গেলেও প্রয়োজন ছিল যৌক্তিকভাবে যুদ্ধ পরিচালনা ও বহির্বিশ্বের সমর্থন আদায় করা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে পূর্ববর্তী নির্বাচনে জয়লাভ করা প্রতিনিধিদের নিয়ে কারাগারে অন্তরীণ প্রাণপ্রিয় নেতাকে প্রধান করে একটি সরকার গঠন করা হয় । উপর্যুক্ত প্রবাসী সরকার এর সঠিক নেতৃত্বের কারণে এক বছরের কম সময়ের মধ্যে স্বাধীনতা অর্জিত হয় ।

চট্টগ্রাম কলেজ · 2024

উত্তর

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।

উত্তর

গণঅভ্যুত্থান বলতে কোনো স্বৈরশাসনের অগণতান্ত্রিক আচরণের বিরুদ্ধে সকল শ্রেণীর মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে বোঝায়। অভ্যুত্থান শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ হচ্ছে আকস্মিকভাবে সরকারের বিরুদ্ধে অবরোধ করা। অনানুষ্ঠানিকভাবে অভ্যুত্থান শব্দটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়ে থাকে। সুতরাং গণঅভ্যুত্থান বলতে কোনো স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সব শ্রেণির মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে বোঝায়। যেমন— ১৯৬৯ সালে স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র, পেশাজীবী, কৃষক-শ্রমিক তথা সব শ্রেণির মানুষ আন্দোলন করে, যা গণঅভ্যূত্থানে পরিণত হয়। ফলে আইয়ুব খান ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। আবার ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে এদেশের মানুষ স্বৈরশাসক এরশাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান গড়ে তুলেছিল ।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত সরকারের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ে মুজিবনগর সরকারের মিল রয়েছে। সেই সময়ে অর্থাৎ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের অপরিহার্যতা আবশ্যিক ছিল। মুক্তিযুদ্ধকে গতিময় ও সুসংহত করার জন্য একটি অস্থায়ী সরকার গঠন অপরিহার্য হয়ে ওঠে। এ প্রেক্ষিতে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করে, যা ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। যুদ্ধকালে সামরিক ও বেসামরিক যাবতীয় প্রশাসন পরিচালনা করে মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । উদ্দীপকে অনুরূপ সরকারের প্রতিচ্ছবি লক্ষণীয় । উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' অঞ্চলের জনগণ সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু করে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে গেলেও প্রয়োজন ছিল যৌক্তিকভাবে যুদ্ধ পরিচালনা ও বহির্বিশ্বের সমর্থন আদায় করা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে পূর্ববর্তী নির্বাচনে জয়লাভ করা প্রতিনিধিদের নিয়ে কারাগারে অন্তরীণ প্রাণপ্রিয় নেতাকে প্রধান করে একটি সরকার গঠন করা হয়। একই লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার পরপরই বাঙালিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণায় মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধকে সঠিক ও সংগঠিতভাবে পরিচালনার কোনো দিকনির্দেশনা ছিল না, এমনকি ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় অপরিকল্পিতভাবে ও বিচ্ছিন্নভাবে । এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণসহ গোলাবারুদ সংগ্রহ কীভাবে হবে, বহির্বিশ্বের সমর্থন আদায় ও সাহায্য-সহযোগিতা কীভাবে পাওয়া যাবে তা প্রশ্নাতীত ছিল। এমতাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধকে গতিময় ও সুসংহত করা, ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী লক্ষ লক্ষ বাঙালিদের দেখাশোনা, বহির্বিশ্বে বাঙালি জাতির ভাবমূর্তিকে তুলে ধরা, বিশ্বে জনমত গঠন ও তহবিল সংগ্রহে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে প্রধান করে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। মুজিবনগর সরকারের সঠিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ নয় মাসে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মুজিবনগর সরকার গঠন অপরিহার্য ছিল। কেননা মুজিবনগর সরকার ব্যতীত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব ছিল না।

উত্তর

উপর্যুক্ত সরকারের অর্থাৎ মুজিবনগর সরকারের কারণেই রাষ্ট্র গঠনের চারটি উপাদান স্পষ্ট হয়— উক্তিটি যথার্থ। একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য চারটি উপাদান অপরিহার্য। যথা— জনসংখ্যা, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র গঠনের জন্য তিনটি উপদান জনসংখ্যা, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড ও সরকার থাকলেও সার্বভৌমত্ব ছিল না। মুজিবনগর সরকারের সঠিক নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে নয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের বুকে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয় । ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় অনেকটা অপরিকল্পিতভাবে। কিন্তু মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে সামরিক-বেসামরিক জনগণকে নিয়ে মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলা হয়। সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি বিগ্রেড গঠন করা হয়। এসব সেক্টর ও ফোর্সে যুদ্ধ করার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদেরকে গেরিলা ট্রেনিং দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রচণ্ড প্রতিকূলতার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদান, এক কোটিরও বেশি শরণার্থীর জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করা, স্বাধীন বাংলা বেতারের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পাদন করে এ সরকার। স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে অক্ষুণ্ণ রাখা, সংগ্রামী মানুষের মনোবল ঠিক রাখার জন্য মুজিবনগর সরকার স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ও পত্র-পত্রিকার সাহায্যে যে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল তা মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণার অন্যতম উৎস ছিল । এছাড়াও এ সরকার কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও স্টকহোমসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি নিয়োগ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। মুজিবনগর সরকারের এসব রাজনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক তৎপরতায় একদিকে দেশের অভ্যন্তরে মুক্তিসেনারা দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে ী প্রতিরোধ গড়ে তোলে, অপরদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অনুকূলে জনমত তৈরি হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন প্রকাশ করেন অনেক বিশ্বনেতা। মুজিবনগর সরকারের সুদক্ষ পরিচালনার মাধ্যমেই দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে রাজনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক প্রভৃতি ক্ষেত্রে সফল কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সরকারের নেতৃত্বে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়। তাই বলা যায়, মুজিবনগর সরকারের কারণেই বাংলাদেশে রাষ্ট্র গঠনের চারটি উপাদান স্পষ্ট হয় ।
HSCIslamic History 2nd paperচট্টগ্রাম কলেজ 2024
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

  • রাজস্ব সংস্কারে
  • স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে
  • পুলিশ বিভাগের উন্নয়নে
  • শিক্ষার উন্নয়নে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

  • মালিক সুলেমান
  • খিজির খান
  • মুবারক শাহ
  • মুহম্মদ শাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

  • আর্য
  • দ্রাবিড়
  • শক
  • কুষাণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

  • আর্য
  • শক্
  • হুন
  • দ্রাবিড়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

  • ড. শাসসুজ্জোহা ও আসাদ
  • তিউর ও বাবুল
  • সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ওয়াজিউল্লাহ
  • মনু মিয়া ও মতিউর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

  • ২৫ জন
  • ২৮ জন
  • ৩০ জন
  • ৩৫ জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

  • আগ্রাবাদ
  • কালুরঘাট
  • মুজিবনগর
  • মেহেরপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

  • হাসান
  • ইব্রাহিম
  • ফরিদ
  • ফজল

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

  • দাক্ষিণাত্য
  • দৌলতাবাদ
  • মুফাস্সরবাদ
  • আফগানপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।