শেয়ারFacebookWhatsApp

ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা বলতে কী বোঝায় ?

উত্তর: ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা হলো পাকিস্তান আমলে দায়ের করা একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা । আগরতলা মামলাটি দায়ের করা হয় ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে । অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুসারে বঙ্গবন্ধু, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কিছু কর্মরত ও প্রাক্তন সদস্য এবং কয়েকজন সরকারি অফিসারের সাথে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠক হয়। সেখানে ভারতের সহায়তায় সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করা হয় ৷ মামলাটির সরকারি নাম হলো “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য।” তবে মামলায় আগরতলার কথা উল্লেখ থাকায় এটি 'আগরতলা মামলা' নামে পরিচিত হয় ।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা বলতে কী বোঝায় ?

উদ্দীপক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৈরতলা রেল ব্রিজের পাশে একটি গণকবর আছে। এটি সম্পর্কে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, কোদাল নিয়ে মাটি খুঁড়তেই বের হয়ে আসল মানুষের হাড়-গোড় আর পচা লাশ। পাশাপাশি দুইটা বিশাল গর্ত। আনুমানিক তিন-চারশ মানুষের মরদেহ এখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। এগুলো স্বাধীনতা সংগ্রামী ও নিরপরাধ মানুষের সমাধি। হানাদার বাহিনী এবং রাজাকার আল বদরদের হাতে তারা শহিদ হয়েছেন ।

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2024

উত্তর

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।

উত্তর

ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা হলো পাকিস্তান আমলে দায়ের করা একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা । আগরতলা মামলাটি দায়ের করা হয় ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে । অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুসারে বঙ্গবন্ধু, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কিছু কর্মরত ও প্রাক্তন সদস্য এবং কয়েকজন সরকারি অফিসারের সাথে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠক হয়। সেখানে ভারতের সহায়তায় সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করা হয় ৷ মামলাটির সরকারি নাম হলো “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য।” তবে মামলায় আগরতলার কথা উল্লেখ থাকায় এটি 'আগরতলা মামলা' নামে পরিচিত হয় ।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য আমাদেরকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয় । ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের ২৩ বছরের স্বৈরশাসন ও শোষণের বেড়াজাল ভেঙে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের এ যুদ্ধে বাঙালি জাতিকে বহু ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়েছে স্বাধীনতা। উদ্দীপকে এ সময়ের চিত্রই প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৈরতলা রেল, ব্রিজের পাশে একটি গণকবর আছে। এটি সম্পর্কে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়তেই বের হয়ে আসে মানুষের হাড়-গোড় আর পঁচা লাশ । প্রত্যক্ষদর্শীর এ বক্তব্য আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কালের কথা মনে করিয়ে দেয়। জাতি হিসেবে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় কিছু চিহ্নিত দল বা ব্যক্তি ছাড়া দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক এবং আপামর জনতা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মুক্তি সংগ্রামে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতিকে বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা শিকার করে দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করতে হয়েছে। এ যুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালায়। তারা নির্বিচারে সাধারণ জনগণকে হত্যা করে। উদ্দীপকের প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যেও এ সময়কার হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

উত্তর

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্তিকামী বাঙালি জাতির ওপর অমানবিক নির্যাতন ও গণহত্যা পরিচালনা করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে ১৬ ডিসেম্বর বাঙালিদের চূড়ান্ত বিজয় লাভের পূর্ব পর্যন্ত পাক-হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর গণহত্যা, লুণ্ঠনসহ অমানবিক অত্যাচার চালায়। উদ্দীপকের প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যে এসব নির্যাতনের কথা ফুটে উঠেছে । ২৫ মার্চ কালরাতে হানাদার বাহিনী বাংলার ঘুমন্ত, নিরস্ত্র, নিরীহ জনগণের ওপর গণহত্যা শুরু করে। এর মাধ্যমে শুরু হয় আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মার্চ থেকে শুরু করে দীর্ঘ নয় মাস ধরে চলে এ যুদ্ধ। এ সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সাধারণ মানুষের ওপর অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা মানুষকে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়। তাদের এসব অপকর্মে তাদেরকে সার্বিকভাবে সহায়তা করে এদেশের রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস সহ কিছু স্বার্থান্বেষী মহল । তাদের সহায়তায় পাক বাহিনী আরও হিংস্র হয়ে ওঠে। পাক-বাহিনী হত্যা, লুণ্ঠন ও মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি। বরং তারা এদেশের মা-বোনদের সম্ভ্রম কেড়ে নেওয়ার মতো জঘন্য কাজেও জড়িত ছিল। মুক্তিবাহিনীর উপর্যপরি আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পাক হানাদার বাহিনী তাদের দোসর আল বদর বাহিনীর সহায়তায় ১৪ ডিসেম্বর আরেক দফা বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দেওয়ার জন্য তারা ঐ দিন এদেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে । ১৯৭১ সালের বাঙালিদের ওপর পাক-বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতন ও গণহত্যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের ইতিহাসে এক নির্মম অধ্যায় সংযোজন করেছে। অবশেষে বহু নির্যাতন ও ৩০ লক্ষ বাঙালির প্রাণের বিনিময়ে বীর বাঙালি দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাক- বাহিনীকে পরাজিত করে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে ।
HSCIslamic History 2nd paperআইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল 2024
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা বলতে কী বোঝায় ? | Prosthuti