উদ্দীপকের আলোকে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর নৃশংসতার বর্ণনা দেওয়া হলো। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হওয়ার পর থেকে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অমানবিক অত্যাচার শুরু হয়। তারা বাঙালি জাতির সব অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল। ফলে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। এদেশের মা বোনদের আত্মত্যাগের ফলে অর্জিত হয়েছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মায়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। নির্বিচার গণহত্যা করে । যুবতী নারীদের ধরে শ্লীলতাহানি করে। স্থানীয় বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে লুটতরাজ করে। যা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আচরণেও লক্ষ্য করা যায়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাঙালি জাতির উপর নির্মম অত্যাচার শুরু করে। তাদের বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে দেয় । দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সামরিক বাহিনী ও তাদের সহায়তাকারি দলগুলো প্রায় ৩০ লাখ বাঙালি হত্যা করেছিল। প্রায় ২ লাখ নারীকে পরিকল্পিতভাবে শ্লীলতাহানি করে। পাকিস্তানিরা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে, শরীরে আগুন লাগিয়ে , শরীরকে টুকরো টুকরো করে কেটে এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। যুবতী মেয়েদের তাদের মা-বাবার সামনে তুলে নিয়ে যেত।৮-৯ বছরের শিশুরাও এবার বর্বরতার শিকার হয়েছে। এদেশের অসংখ্য ঘর-বাড়ি, আর্থ-সম্পদ লুট করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জমির ফসল নষ্ট করেছে। মোট কথা পুরো বাংলা জুড়ে তারা গণহত্যা, ধ্বংস, দর্শন ও লুন্ঠনের হলিখেলা চালিয়েছে। সুতরাং, উদ্দীপকের আলোকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নৃশংসতার বর্ণনা দেওয়া হল।