শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত আন্দোলনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল - পাঠ্য বইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উক্ত আন্দোলন অর্থাৎ বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত হয় ' আমার পাঠঢ় বইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো। ভাষা আন্দোলন জনগণের জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি নিছক একটি প্রতিবাদী আন্দোলন ছিল না, পাকিস্তানের রাজনীতিতে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ছিল সুদূরপ্রসারী। এই আনদোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। পূর্ব বাংলায় স্বাধিকারের চিন্তা-চেতনার আত্মপ্রকাশ ঘটে। ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা আদায়ে সংঘটিত গণ-আন্দোলন। এ আন্দোলন পূর্ব বাংলার জনগনের মধ্যে সংগঠিত জাতীয় চেতনা সৃষ্টি করে। এ আন্দোলন পূর্ব বাংলার অধিকার বঞ্চিত মানুষকে অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় উদীপ্ত করে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডে বিরুদ্ধে প্রথম সফল প্রতিরোধ করে। বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্ধুদ্ধ পূর্ব বাংলার মানুষ এরপর ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয়দফা আন্দোলন, ১৯৭৯ সালের গণঅভুত্থান এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়। ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতি দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত সাফল্য অর্জন করেন। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। অবশেষে বলা যায়, 'উক্ত আন্দোলন তথা ১৯৫২ সালে বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত হয়'। উপরে তা আমার পাঠ্য বইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উক্ত আন্দোলনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল - পাঠ্য বইয়ের আল…

উদ্দীপক

পৃথিবীর দীর্ঘ সময় ঘটা ভাষা আন্দোলনের মধ্যে মানভূমের বাংলা ভাষা আন্দোলন একটি। ১৯৪৮ হতে ১৯৫৬ সালের মধ্যে এই আন্দোলন তীব্রভাবে ছড়িয়ে পড়ে মানভূমের বাঙ্গালীদের মধ্যে। ১৯৫৬ সালের আগে পুরুলিয়া জেলা বিহারের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেই সময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। জাতীয় কংগ্রেসের বাংলাভাষী সদস্যদের দ্বারা হিন্দির বিরুদ্ধে আন্দোলনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। গঠিত হয় "লোকসেবক সংঘ" নামে জাতীয়তাবাদী দল। ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি এতে যোগদান করে। আন্দোলনে হাজার হাজার বাংলাভাষী কারাবরণ করে। ফলে ১৯৫৬ সালে ভারত সরকার মানভূম জেলা ভেঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সঙ্গে পুরুলিয়া নামে নতুন একটি জেলা সংযুক্ত করতে বাধ্য হয়।

Dhaka · 2021

উত্তর

একজন ভাষঅ শহীদের নাম হল আবুল বরকত।

উত্তর

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার মর্যাদা লাভের প্রতীক। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে দেশের ভাষাসৈনিকরা বাংলা ভাষা মর্যাদা লাভের দাবিতে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে ঢাকার রাজপথে মিচিল বাহির করে। এতে রফিক, বরকত, শফিক, জব্বার, সালাম প্রমুখ নিহত হন। তাদের স্মরণে ১৯৫২ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেলে ছাত্ররা প্রথম শহীদ মিনারের স্মৃতিসস্তম্ভ র্নিমান করে। বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভের পর শিল্পী হামিদুজ্জামানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ হয় । প্রতিবছর এ মিনারে ফুল দিয়ে এদেশের লাখো মানুষ ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান যানান।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বইয়ের ১৯৫২ সালে সংগঠিত ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। ১৯৫২ সালে নিজ মাতৃভাষা কে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার সহ আরও অনেক মানুষ জীবন দান করেন। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করে। উক্ত ঘটনাটির সাথে উদ্দীপকের ঘটনার সাথে সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, ১৯৫৬ সালের আগে পুরুলিয়া জেলা বিহারের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখন রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তী সময়ে 'লোকসেবক সংঘ' এর নেতৃত্বে বাঙালিরা আন্দোলন শুরু করে। ফলে বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে পুরুলিয়া নামে একটি নতুল জেলা সংযুক্ত করতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষ্য করা যায়। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের উপর বৈষম্য মুলক নীতি গ্রহণ করা শুরু করেন। এই সময় পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষমতা পশ্চিম পাকিস্তানের উপর ন্যস্ত ছিল। ফলে তারা পাকিস্তানের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে উর্দুকে স্থান দিতে চেয়েছিলো। বাঙালিরা বুঝতে পারে এতে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই তারা রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ নেয় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে। এদিনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাঙালি জাতি ভাষার দাবিতে রাস্তায় নামে। শহিদ হয় রফিক, জব্বার সহ আরও অনেকে। এরপর বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের পথ মারিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের। সুতরাং বুঝা যায়, মানভূমির ভাষা আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশের ভাষা-আন্দোলনের মিল রয়েছে।

উত্তর

উক্ত আন্দোলন অর্থাৎ বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত হয় ' আমার পাঠঢ় বইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো। ভাষা আন্দোলন জনগণের জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি নিছক একটি প্রতিবাদী আন্দোলন ছিল না, পাকিস্তানের রাজনীতিতে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ছিল সুদূরপ্রসারী। এই আনদোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। পূর্ব বাংলায় স্বাধিকারের চিন্তা-চেতনার আত্মপ্রকাশ ঘটে। ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা আদায়ে সংঘটিত গণ-আন্দোলন। এ আন্দোলন পূর্ব বাংলার জনগনের মধ্যে সংগঠিত জাতীয় চেতনা সৃষ্টি করে। এ আন্দোলন পূর্ব বাংলার অধিকার বঞ্চিত মানুষকে অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় উদীপ্ত করে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডে বিরুদ্ধে প্রথম সফল প্রতিরোধ করে। বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্ধুদ্ধ পূর্ব বাংলার মানুষ এরপর ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয়দফা আন্দোলন, ১৯৭৯ সালের গণঅভুত্থান এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়। ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতি দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত সাফল্য অর্জন করেন। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। অবশেষে বলা যায়, 'উক্ত আন্দোলন তথা ১৯৫২ সালে বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত হয়'। উপরে তা আমার পাঠ্য বইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

  • রাজস্ব সংস্কারে
  • স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে
  • পুলিশ বিভাগের উন্নয়নে
  • শিক্ষার উন্নয়নে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

  • মালিক সুলেমান
  • খিজির খান
  • মুবারক শাহ
  • মুহম্মদ শাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

  • আর্য
  • দ্রাবিড়
  • শক
  • কুষাণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

  • আর্য
  • শক্
  • হুন
  • দ্রাবিড়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

  • ড. শাসসুজ্জোহা ও আসাদ
  • তিউর ও বাবুল
  • সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ওয়াজিউল্লাহ
  • মনু মিয়া ও মতিউর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

  • ২৫ জন
  • ২৮ জন
  • ৩০ জন
  • ৩৫ জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

  • আগ্রাবাদ
  • কালুরঘাট
  • মুজিবনগর
  • মেহেরপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

  • হাসান
  • ইব্রাহিম
  • ফরিদ
  • ফজল

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

  • দাক্ষিণাত্য
  • দৌলতাবাদ
  • মুফাস্সরবাদ
  • আফগানপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।