শেয়ারFacebookWhatsApp

গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় উভয় নেতার ভাষণ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বাংলার মহান নেতার ভাষণ ছিল আরও দিক নির্দেশনামূলক ও চেতনা উদ্দীপ্ত— উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট লিংকন এবং বাংলাদেশের মহান নেতা অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উভয়ের ভাষণ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল অধিক দিকনির্দেশনামূলক চেতনায় উদ্দীপ্ত কথাটি যথার্থ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণটি আব্রাহাম লিংকনের ভাষণটির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ১৮৬৩ সালের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের ৩ মিনিটের ভাষণ এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ই ইতিহাসের মূল্যবান দলিল। লিংকনের কণ্ঠে ধ্বনিত হলো গণতন্ত্র সম্বন্ধে তার বিখ্যাত উক্তি, 'Democracy is the Goverment of the people, by the people and for the people will never perish from the earth, আর বঙ্গবন্ধু বললেন, 'সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।' ৭ মার্চের এ ৭টি শব্দ বাঙালিকে দুর্বার করে তুলেছিল। বলাবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। একটি ভাষণ একটি জাতিকে কতটা উদ্দীপ্ত করতে পারে তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। অনেকে এই ভাষণকে বাংলাদেশের জন্মের প্রাক্কালে সাধারণ জনগণের সাথে তাদের অবিসংবাদিত নেতার সংলাপ হিসেবে আখ্যা দেন। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণটিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ভাষণগুলোর একটি বলে বিবেচনা করা হয়। এর মাধ্যমে বাঙালির আশা- আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়। যদিও বঙ্গবন্ধু এ ভাষণে এদেশের মানুষকে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। মুক্তিপাগল বাঙালি এ আহ্বানেই উদ্বেলিত হয়েছিল। এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' তার এ ঘোষণা বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত করে। পরবর্তী সময়ে বাংলার স্বাধীনতা যুদ্ধে এ ভাষণটি মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল। এ ভাষণের ঐতিহাসিক তাৎপর্য উপলব্ধি করে জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর একে 'বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, ৭ মার্চের ভাষণের ফলে পূর্ব পাকিস্তানে যে অসহযোগ আন্দোলনের বিস্তার ঘটেছিল, তা থেকেই আমাদের মুক্তি সংগ্রামের সূচনা হয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়। আর এদিক থেকেই আব্রাহাম লিংকনের চেয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অধিক দিকনির্দেশনামূলক ও গুরুত্ববহ।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় উভয় নেতার ভাষণ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বাং…

উদ্দীপক

১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ নভেম্বর গেটিসবার্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহম লিংকন দাস প্রথা বিলোপ, নাগরিক অধিকার ও গণতন্ত্র প্রসঙ্গে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তার এ ভাষণের স্থায়িত্বকাল ছিল মাত্র তিন মিনিট। 'গেটিসবার্গ এড্রেস' নামে খ্যাত এ ভাষণ পৃথিবীর ইতিহাসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দাস প্রথা বিলোপে এক অনন্য দলিল হিসেবে গণ্য করা হয় ।

ঢাকা সিটি কলেজ · 2024

উত্তর

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা।

উত্তর

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সুষ্ঠুভাবে ও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করে দ্রুত পাকিস্তানি হানাদারদের কবল থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধকে সুসংহত করা, ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী লক্ষ লক্ষ বাঙালির দেখাশোনা এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত তৈরি করা ছিল মুজিবনগর সরকার গঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য। এছাড়া মুক্তাঞ্চলে প্রশাসন পরিচালনা করার বিষয়টিও এ সরকার গঠনের পেছনে কারণ হিসেবে কাজ করেছিল।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের ভাষণের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মিল রয়েছে। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ভাষণ একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এ ভাষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করা হয়েছিল। ৭ মার্চ বিকেলে রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমান সোহরাওয়াদী উদ্যান) সমাবেশে লাখো মানুষের ঢল নামে। সেখানে বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। উদ্দীপকেও এ রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন সে দেশের গৃহযুদ্ধ চলাকালে ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের গেটিসবার্গে দাসপ্রথা বিলোপ, সামা, নাগরিক অধিকার ও গণতন্ত্রের কথা উল্লেখ করে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন। ইতিহাসে এটি গেটিসবার্গ ভাষণ নামে বিখ্যাত হয়ে আছে। বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ বিশ্বের ইতিহাসে একইরকম বিখ্যাত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণটির মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল: চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহারের দাবি, গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান ও সর্বোপরি পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ পড়া তথা স্বাধীনতার লড়াইয়ের প্রস্তুতির ইঙ্গিত। ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতাই ঘোষণা করেছিলেন। তার এ ভাষণে বাঙালি জাতির তখনকার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাষণের সাথে বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মিল রয়েছে।

উত্তর

গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট লিংকন এবং বাংলাদেশের মহান নেতা অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উভয়ের ভাষণ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল অধিক দিকনির্দেশনামূলক চেতনায় উদ্দীপ্ত কথাটি যথার্থ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণটি আব্রাহাম লিংকনের ভাষণটির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ১৮৬৩ সালের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের ৩ মিনিটের ভাষণ এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ই ইতিহাসের মূল্যবান দলিল। লিংকনের কণ্ঠে ধ্বনিত হলো গণতন্ত্র সম্বন্ধে তার বিখ্যাত উক্তি, 'Democracy is the Goverment of the people, by the people and for the people will never perish from the earth, আর বঙ্গবন্ধু বললেন, 'সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।' ৭ মার্চের এ ৭টি শব্দ বাঙালিকে দুর্বার করে তুলেছিল। বলাবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। একটি ভাষণ একটি জাতিকে কতটা উদ্দীপ্ত করতে পারে তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। অনেকে এই ভাষণকে বাংলাদেশের জন্মের প্রাক্কালে সাধারণ জনগণের সাথে তাদের অবিসংবাদিত নেতার সংলাপ হিসেবে আখ্যা দেন। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণটিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ভাষণগুলোর একটি বলে বিবেচনা করা হয়। এর মাধ্যমে বাঙালির আশা- আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়। যদিও বঙ্গবন্ধু এ ভাষণে এদেশের মানুষকে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। মুক্তিপাগল বাঙালি এ আহ্বানেই উদ্বেলিত হয়েছিল। এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' তার এ ঘোষণা বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত করে। পরবর্তী সময়ে বাংলার স্বাধীনতা যুদ্ধে এ ভাষণটি মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল। এ ভাষণের ঐতিহাসিক তাৎপর্য উপলব্ধি করে জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর একে 'বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, ৭ মার্চের ভাষণের ফলে পূর্ব পাকিস্তানে যে অসহযোগ আন্দোলনের বিস্তার ঘটেছিল, তা থেকেই আমাদের মুক্তি সংগ্রামের সূচনা হয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়। আর এদিক থেকেই আব্রাহাম লিংকনের চেয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অধিক দিকনির্দেশনামূলক ও গুরুত্ববহ।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় উভয় নেতার ভাষণ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বাং… | Prosthuti