উদ্দীপকের আলোকে উক্ত ভাষণের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিরূপণ করো।
উত্তর: বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য ছিল অপরিসীম। ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। এ ভাষণের মাধ্যমেই পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনসাধারণ স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত যুক্তরাষ্ট্রের মহান নেতা আব্রাহাম লিংকন বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণে নাগরিক অধিকার ও সাম্যসহ যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতাকালীন আদর্শ সমুন্নত রাখার তাগিদ দেন। মাত্র তিন মিনিটের গেটিসবার্গ ভাষণ মার্কিন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা যোগায়। একইভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণও ছিল বিশেষ তাৎপর্যবহ। এ ভাষণ বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক মূল্যবান দলিল। বঙ্গবন্ধু এ ভাষণে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলেও মুক্তিপাগল বাঙালি এর মধ্যে স্বাধীনতার সবুজ সংকেত দেখতে পেয়েছিল। কারণ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার রূপকার এতে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' তার এ ঘোষণা বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করে। একটি ভাষণ পুরো জাতিকে কতটা উদ্দীপ্ত করতে পারে, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ ভাষণের গুরুত্ব বিবেচনা জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর এটিকে “বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের আলোকে উক্ত ভাষণের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিরূপণ করো।
উদ্দীপক
Combined · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর