উদ্দীপকে উল্লিখিত অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণগুলো হচ্ছে অতিরিক্ত মুনাফা লোভ, অনৈতিকতার অভাব, মূল্যবোধের অবক্ষয়, ভোগবাদী মানসিকতা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা।
উদ্দীপকে জনাব পারভেজ ছিলেন অতি দরিদ্র। কিন্তু হঠাৎ করে তিনি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। খাদ্যের স্বাদ বা ফ্লেভার বাড়াতে যে কোন প্রকার অবৈধ পন্থা অবলম্বনে তিনি অদ্বিতীয়। এতে বুঝা যায় জনাব পারভেজ খাদ্যে ভেজাল মেশান। তার মত নৈতিকতা হীন ব্যক্তিরা খাদে ভেজাল মেশাতে কোন দ্বিধাবোধ করেন না। বলা যায় এ কাজে তার মত লোকেরা খুবই পারদর্শী হন। আর এ নিকৃষ্ট কাজের কারণ হচ্ছে অধিক মনোসার প্রতি লোভ। কারণ তিনি দ্রুত অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে প্রত্যাশী ছিলেন। মূলত তার রয়েছে নৈতিকতার অভাব ফলে তিনি এসব কাজে দ্বিধাবোধ করেননি। তারমধ্যে ঘটেছে মূল্যবোধের অবক্ষয়; ফলে তিনি রাতারাতি ধনী হতে চেয়েছেন। এজন্য খাদ্য ভেজালের কুফল সম্পর্কে চিন্তা করেনি। আর আমাদের দেশের প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে এসব ব্যবসায়ীরা পার পেয়ে যান বলে তারা এসব কাজ আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
সুতরাং বলা যায় অতিরিক্ত মুনাফার লোভ, ভোগবাদী মানসিকতা, প্রশাসনিক দুর্বলতা, অনৈতিকতার অভাব প্রভৃতি কারণে জনাব পারভেজ অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন।