শেয়ারFacebookWhatsApp

শারীরিক প্রতিবন্ধিতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: শারীরিক প্রতিবন্ধি: চলনে অক্ষম ব্যক্তিকে দৈহিক/শারীরিক প্রতিবন্ধি বলে।শারীরিক অক্ষমতা হল একজন ব্যক্তির শারীরিক কার্যকারিতা, গতিশীলতা, দক্ষতা বা সহনশীলতার উপর একটি সীমাবদ্ধতা। অন্যান্য শারীরিক অক্ষমতার মধ্যে রয়েছে বৈকল্য যা দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অন্যান্য দিকগুলিকে সীমিত করে, যেমন শ্বাসযন্ত্রের ব্যাধি, অন্ধত্ব, মৃগীরোগ এবং ঘুমের ব্যাধি। শারীরিক বা মানসিক বৈকল্য অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সীমাবদ্ধ নয়, যেমন সংক্রামক এবং অসংক্রামক রোগ এবং অবস্থার যেমন অর্থোপেডিক, দৃষ্টিশক্তি, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধকতা, সেরিব্রাল পলসি, মৃগীরোগ, পেশী ডিস্ট্রোফি, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, মানসিক প্রতিবন্ধকতা, মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি।

HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল

শারীরিক প্রতিবন্ধিতা বলতে কী বোঝায়?

উদ্দীপক

জনাব কামরুল ইসলাম বাজার থেকে কিছু পাকা আম ক্রয় করে বাড়ি আসেন। আম কাটার পর তিনি দেখতে পান, ভেতরে আমের আঁটিগুলো শক্ত হয়নি। আম খাওয়ার পর তার পেটে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। জনাব কামরুল ইসলাম মনে করেন যে, আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

রাজশাহী কলেজ · 2024

উত্তর

HCFC এর পূর্ণরুপ হলো 'hydrochlorofluorocarbonhydrochlorofluorocarbon^{\prime}

উত্তর

শারীরিক প্রতিবন্ধি: চলনে অক্ষম ব্যক্তিকে দৈহিক/শারীরিক প্রতিবন্ধি বলে।শারীরিক অক্ষমতা হল একজন ব্যক্তির শারীরিক কার্যকারিতা, গতিশীলতা, দক্ষতা বা সহনশীলতার উপর একটি সীমাবদ্ধতা। অন্যান্য শারীরিক অক্ষমতার মধ্যে রয়েছে বৈকল্য যা দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অন্যান্য দিকগুলিকে সীমিত করে, যেমন শ্বাসযন্ত্রের ব্যাধি, অন্ধত্ব, মৃগীরোগ এবং ঘুমের ব্যাধি। শারীরিক বা মানসিক বৈকল্য অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সীমাবদ্ধ নয়, যেমন সংক্রামক এবং অসংক্রামক রোগ এবং অবস্থার যেমন অর্থোপেডিক, দৃষ্টিশক্তি, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধকতা, সেরিব্রাল পলসি, মৃগীরোগ, পেশী ডিস্ট্রোফি, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, মানসিক প্রতিবন্ধকতা, মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব কামরুল ইসলাম বাজার থেকে আম আনার পরে কিছু আম কাটার পরে দেখতে পান আমরা আঁটি শক্ত হয়নি এবং খাওয়ার পরে তার পেটে কিছু সমস্যা দেখা যায় এই সমস্যা আমার পঠিত বইয়ের নাগরিক সমস্যা খাদ্যে ভেজালের সাথে সাদৃশ্য। 'ভেজাল' শব্দটি সাম্প্রতিককালে পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র বহুল উচ্চারিত একটি শব্দ। উৎকৃষ্ট দ্রব্যের সাথে নিকৃষ্ট দ্রব্য মেশানোকেই ভেজাল বলে। সাধারণভাবে আমরা খাদ্যে ভেজাল বলতে বুঝি প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক খাদ্যদ্রব্যে নিম্নমানের, ক্ষতিকর, অকেজো, অপ্রয়োজনীয় এবং বিশুদ্ধ বা খাঁটি নয় এমন কিছু মেশানোকে বোঝায়। গুণগতভাবে নির্ধারিত মানসম্মত নয় এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন খাদ্যদ্রব্যকে 'ভেজাল খাদ্য' মনে করা হয়। খাদ্যে ভেজাল একটি মারাত্মক সামাজিক অপরাধ। খাদ্যে ভেজাল নিয়ে সমস্ত বিশ্ববাসী আজ উদ্বিগ্ন। খাদ্যে ভেজালের সাথে লোভী ব্যক্তিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের শত্রু; তারা জঘন্য অপরাধী এবং মানবতার শত্রু। রোগমুক্ত সুস্থ সুন্দর জীবনের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য ভেজাল প্রতিরোধে বিশ্বের সকল মানুষেরই সোচ্চার হতে হবে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বেঁচে থাকার জন্য আমাদেরকে কোনো না কোনো খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। বেঁচে থাকার জন্য এবং শারীরিক বিকাশের জন্য খাদ্য অপরিহার্য। কিন্তু ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিশ্বের কিছু দেশে বিশেষ করে বাংলাদেশে খাদ্যে ভেজালের ভয়াবহ চিত্র প্রকাশিত হচ্ছে। মানুষ নামের কলঙ্ক কিছু অসাধু ব্যক্তি খাদ্যে ভেজালের সাথে যুক্ত। এমন কোনো খাদ্যসামগ্রী নেই যাতে তারা ভেজাল মেশাচ্ছে না। চাল-ডাল-আটা-ময়দা আমাদের প্রধান খাদ্য। ভালো চালের সাথে নিম্নমানের চাল মেশাচ্ছে। চালে পাথর ও বালি মেশাচ্ছে। চুালের রং উজ্জ্বল করার জন্য ইউরিয়া ও অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশাচ্ছে বা তা দিয়ে শোধন করছে। বাজারের বেশির ভাগ ডালই ভেজাল ও খাওয়ার অনুপযোগী। ডালেও মেশানো হয় ক্ষতিকর রং এবং মাইটক্সিন নামে বিষাক্ত কেমিক্যাল। আটা-ময়দাতেও মেশানো হচ্ছে ভেজাল, বিশেষ করে কাঠের গুড়ো। পাউরুটি, বিস্কুট এবং নুডুলস তৈরিতে ব্যবহৃত আটা-ময়দায় ভেজালের হার আরও বেশি। বাজারে এখন যেসব মিনারেল ওয়াটার পাওয়া যায় তার ৯৫ ভাগই পানের অযোগ্য। বাজারে যে হরেক রকম ব্রান্ডের ফলের জুস পাওয়া যায় সেগুলোর প্রায় ৯৫ ভাগের মধ্যেই। কোনো ফলের রস নেই বিলে পরীক্ষায় প্রমাণিত এসব জুস, জ্যাম, জেলিতে যে বিষাক্ত রং মেশানো হয় তা কিডনি, লিভার ও পেটের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। হয়েছে। এছাড়া আমরা 'ভাতে-মাছে বাঙালি'। অথচ যেভাবে মাছ টাটকা রাখার জন্য ফরমালিন মেশানো হচ্ছে তা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। শুঁটকি মাছে পোকা যেন না ধরে সেজন্য ব্যবসায়ীরা কীটনাশক ও ডিডিটি ব্যবহার করছে। বাংলাদেশে প্রচুর শাক সবজি ও ফলমূল পাওয়া যায়। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী এগুলো টাটকা ও সতেজ রাখার জন্য এবং ফলমূলগুলো পাকানোর জন্য ক্যালসিয়াম কার্বাইড ইথোপেনসহ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করে থাকে। এগুলো আমাদের কিডনি ও লিভারের ক্ষতি করছে, ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলছে এবং অনেকেই অকালে চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলছেন। আমাদের দেশের একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী খাবারের তেল, ঘি, ডালডা, বাটারওয়েল প্রভৃতিতে ভেজাল মেশাচ্ছেন। এগুলো মুখে দিলেই বা এর ঘ্রাণ নিলেই বোঝা যায় এগুলোর প্রায় ৭০/৮০ ভাগই ভেজাল, খাওয়ার অনুপযোগী এবং স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অনেকে মাছ, দুধ, মিষ্টি, ফল ইত্যাদিতে ফরমালিন মিশিয়ে এগুলোর পচন রোধ করার চেষ্টা চালায়। শুঁটকি মাছে অনেকে ক্ষতিকর কীটনাশক ডিডিটি মেশান। এমনকি অসাধু ব্যবসায়ীরা গুঁড়া মশলার সাথেও ইটের গুঁড়া এবং অনেক ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশাচ্ছেন, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। বাজারে 'আয়োডিনযুক্ত লবণ' বলে যা বিক্রি হচ্ছে তার প্রায় ৯০ ভাগেই আয়োডিন বলে কিছুই নেই। আয়োডিনের অভাবে তাই আমাদের দেশে গলগণ্ড রোগ বেড়ে চলছে। মানসিক প্রতিবন্ধীর সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও আমাদের দেশে হোটেল রেস্তোরাঁগুলোর ভিতরের বিশেষ করে যেখানে খাবার তৈরি হয় সেখানকার চিত্র খুবই নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। এসব হোটেল রেস্তোরাঁয় পচা, বাসি খাবার পরিবেশন করা হয়। খাবারে বিষাক্ত রং, রস ও কেমিক্যাল মেশানো হয়। প্রায়ই সংবাদপত্রে প্রকাশিত হতে দেখা যায় যে, ভ্রাম্যমাণ পরিদর্শক টিম হোটেলগুলোতে মরা মুরগি, পচা মাছ-মাংস ব্যবহার করতে দেখেছেন, শাস্তি দিয়েছেন।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে খাদ্যে ভেজাল সমস্যাটি সমাধানে জনাব কামরুল ইসলামের উপলব্ধি হল আইনের যথাযথ প্রয়োগ সামাজিক সচেত সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো: আধুনিক রাষ্ট্রে নাগরিকের পাঁচ মৌলিক অধিকারের মধ্যে একটি খাদ্যের অধিকার। নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা এর মধ্যেই পড়ে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এর মতে খাদ্য নিরাপত্তা হলো এমন একটি অবস্থা পৃথিবীর সব স্থানের সকল মানুষের সুস্বাস্থ্যে নিশ্চিন্তে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় পছন্দের খাবার পাওয়ার দৈহিক ও আর্থিক সুযোগ সৃষ্টি করা। যে খাদ্যে কোনো ক্ষতিকারক কেমিকেলস নেই, জীবানু দ্বারা দুষ্ট নয়, প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ ও প্রাকৃতিকভাবে তৈরি, সেটাই নিরাপদ খাবার। সাম্প্রতিককালে খাদ্যে ভেজালের ছড়াছড়ি। মানুষ কেন খাদ্যে ভেজাল দেয় তার কারন পর্যালোচনা করলে মানুষের ভোগী মনোবৃত্তির পরিচয় মেলে। স্বল্প সময়ে যাতে অধিকতর উপার্জন করা যায় সেদিকেই ভেজালকারীদের প্রধান লক্ষ্য থাকে। এতে পরিশ্রম কম হয়, কিন্তু রাতারাতি বিত্তবান হয়ে ওঠা যায়। স্বার্থান্ধ মানুষ নিজেদের স্বার্থের কথা মনে রেখে ভেজাল দিতে গিয়ে মানুষের যে চরম সর্বনাশ সাধন করে তা কখনই তারা ভেবে দেখে না। অন্যের ভালমন্দ বিবেচনা করার মত বিবেক তাদের নেই। ভেজাল মিশ্রিত জিনিস খাওয়ার ফলে নানা প্রকার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার যথেষ্ট নিদর্শন সহজেই পাওয়া যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় যেসব রাসায়নিক পদার্থ নিরাপদ খাদ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে তার অন্যতম ফরমালিন। এটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে মূলত মানুষের মৃতদেহ সংরক্ষণসহ নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে। কিন্তু দ্রুত পচন রোধে সহায়ক বিধায় অসাধু ব্যবসায়ীরা ফরমালিনকে একরকম সহজ মুনাফার পদ্ধতি হিসেবে খাদ্যদ্রব্যে ব্যবহার করছে। ফলমূল, শাকসবজি ও মাছ-মাংসে এর ব্যবহার যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। বস্তুত বর্তমানে এর অপব্যবহারই হচ্ছে বেশি। জটিল প্রক্রিয়ায় তৈরি ফাস্টফুড, রাস্তার খোলা খাবার এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্য তৈরি করছে ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধি। পাশাপাশি রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে। মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য। কিন্তু ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য মানুষের সুস্থতার বদলে অসুস্থতা বরণ করছে। অনিরাপদ খাদ্যে নানান জটিল রোগের বিস্তার ঘটছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য তা হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। সরকার ২০০৯ সালে 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯' এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে 'নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩' প্রণয়ন করেছে। নিরাপদ খাদ্য আইনে- মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অথবা বিষক্রিয়া সৃষ্টিকারী রাসায়নিক দ্রব্য বা উহার উপাদান বা বস্তু, কীটনাশক বা বালাইনাশক, খাদ্যের রঞ্জক বা সুগন্ধি বা অন্য কোন বিষাক্ত সংযোজন দ্রব্য বা প্রক্রিয়া সহায়ক কোন খাদ্যদ্রব্য বা খাদ্যোপকরণে ব্যবহার বা অন্তর্ভূক্তি অথবা উক্তরূপ দ্রব্য মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য বা খাদ্যোপকরণ মজুদ, বিপণন বা বিক্রয় করলে অনূর্ধ্ব ৫ বছর কিন্তু অন্যূন চার বছর কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ১০ লক্ষ টাকা অন্যূন পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পুনরায় একই অপরাধ সংঘটন করলে ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড। এছাড়া খাদ্য নিয়ে মিথ্যা বিজ্ঞাপন, নিবন্ধন ছাড়া খাদ্যপণ্য বিপণন, ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত কাউকে দিয়ে খাদ্য বিক্রি করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ২০১৯ সালের প্রথম দিকে ভেজাল বিরোধী তৎপরতা লক্ষ্য করা গেলেও পরবর্তীতে তা অনেকটা ভাটা পরে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এ যেসব কার্যকলাপকে অপরাধ গণ্য করা হয়েছে তা হলো-আইন ও বিধি দ্বারা নির্ধারিত হওয়া সত্ত্বেও পণ্যে মোড়ক ব্যবহার না করা; মূল্যের তালিকা প্রদর্শন না করা; সেবার মূল্যের তালিকা সংরক্ষণ ও প্রদর্শন না করা; ধার্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য, ঔষধ বা সেবা বিক্রি করা; ভেজাল পণ্য বা ঔষধ বিক্রি করা; খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্য মিশ্রণ করা; মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাসাধারণকে প্রতারিত করা; প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রি বা সরবরাহ না করা; ওজনে কারচুপি করা; বাটখারা বা ওজন পরিমাপক যন্ত্রে প্রকৃত ওজন অপেক্ষা অতিরিক্ত ওজন প্রদর্শন করা; পরিমাপে কারচুপি করা; দৈর্ঘ্য পরিমাপক কার্যে ব্যবহৃত পরিমাপক ফিতা বা অন্য কিছুতে কারচুপি করা; পণ্যের নব প্রস্তুত বা উৎপাদন করা; মেয়াদ উত্তীর্ণ কোনো পণ্য বা ঔষধ বিক্রি করা; সেবাগ্রহীতার জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্নকারী কার্য করা এবং অবহেলা, দায়িত্বহীনতা বা অসতর্কতা দিয়ে সেবাগ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য বা জীবনহানি ঘটানো। ভোক্তা অধিকার আইন ও নিরাপদ খাদ্য আইন এর যথাযথ প্রয়োগ করতে পারলে খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। পাশাপাশি দেশের প্রধান খাদ্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) কে আরো সতর্ক ও সক্রিয় হয়ে ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে হবে। শহরের দোকান ও রেস্টুরেন্টে ভেজাল বিরোধী অভিযান চালানোর পর কিছুদিন ভেজালমুক্ত খাদ্যদ্রব্য পাওয়া যায় কিন্তু পরে যেই-সেই হয়ে যায়। এর থেকে পরিত্রানের জন্য আমাদের সমাজিক ভাবেও নীতি-নৈতিকতা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আর এর জন্য দরকার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা। কুরআন ও হাদিসের আলোকে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। হারাম পদার্থ সম্পর্কে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন- 'যতক্ষণ পর্যন্ত বান্দা হারাম পদার্থ বর্জন না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত পরহেজগার শ্রেণীর মধ্যে গণ্য হতে পারে না।' মুসলিম ব্যবসায়ীদেরকে সৎ পন্থা অবলম্বন করতে হবে। অন্য ধর্মাবলম্বীদেরকে তাদের ধর্মনীতি অনুসারে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে সততা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার আলোকে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। মনে রাখতে হবে যারা ভেজাল খাদ্য তৈরী করে তাদের তৈরী ভেজাল দ্রব্যের ফাঁদে তারা নিজেরা কিংবা তাদের পরিবার পরিজনও পতিত হতে পারে কোনো না কোনো সময়। পরিশেষ বলব ভেজাল প্রতিরোধে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের নৈতিকতাবোধ, উৎপাদক, বিপণনকারী, ভোক্তা সবাইকেই সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
HSCCivics 2nd Paperরাজশাহী কলেজ 2024
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতি প্রতিরোধে কোনটি কার্যকর ভূমিকা রাখে না?

Dinajpur · 2017

  • জনসচেতনতা
  • গণ নিরবতা
  • আইনের যথাযথ প্রয়োগ
  • সাধীন বিচার ব্যবস্থা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতির মাধ্যমে
i. আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করে না
ii. বিচার ব্যবস্থা কলুষিত হয়
iii. ভূমি ব্যবস্থনায় ধস নামেনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?

Dinajpur · 2017

  • ১০
  • ১২
  • ১৪
  • ১৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-
i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র
ii. কোনো সামরিক জোটের সদস্য নয়
iii. একসময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.SAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে
i. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাস
ii. অবাধ বাণিজ্য এলাকা গঠন
iii. ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?

Dinajpur · 2017

  • সমঝোতা ও সহযোগিতা
  • বন্ধুত্ব ও আন্তরিকতা
  • জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উদারনীতি
  • অন্য দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম কী?

Dinajpur · 2017

  • ও.আই.সি
  • ওপেক
  • ই.ইউ
  • ও.এ.ইউ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?

Dinajpur · 2017

  • ১২
  • ১৫

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?

Dinajpur · 2017

  • দ্বাদশ
  • ত্রয়োদশ
  • চতুর্দশ
  • পঞ্চদশ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা হিসাবে তিনি জাতির কাছে কীরূপ সম্মান লাভ করেন
i. জাতীয় নেতা
ii. জাতির পিতা
iii. জাতির বিবেকনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে বাংলাদেশের কোন নেতার তুলনা করা যায়?

Dinajpur · 2017

  • শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  • হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  • মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

Dinajpur · 2017

  • দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  • কৃষক-প্রজা তত্ত্ব
  • প্রজাস্বত্ব
  • স্বদেশী তত্ত্ব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রii. কোনো সামরিকSAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেi. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাসii. অববাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতানিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।