উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা তথা ইভটিজিং সমস্যা সমাধানে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে বলে আমি মনে করি।সাম্প্রতিককালে ইভটিজিং একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। তাই এরূপ একটি ভয়ংকর ব্যাধিকে প্রতিরোধ এবং এ ব্যাধির প্রতিকার করা আমাদের দায়িত্ব। এ সমস্যা সমাধানে নাগরিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় কঠোর আইনি ব্যবস্থার বাস্তবায়ন, নারী অধিকার সংগঠন শক্তিশালী করা, ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে প্রচারপত্র বিতরণ, সাংবিধানিক প্রতিকারসহ প্রভৃতি পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। ইভটিজিংকে 'না' বলতে বাংলাদেশের সকল নারী-পুরুষকে এগিয়ে আসতে হবে এবং নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করতে হবে। কেননা, নারীরাই আমাদের মা, বোন, স্ত্রী ও আপনজন। তাদের অপমান করার অর্থ নিজেদেরকে অপমান করা। এরূপ ঘৃণ্য কাজকে সকলে মিলে 'না' বলতে হবে। ইভটিজিং সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ হলো আইনের সঠিক বাস্তবায়ন ঘটানো। কঠোর আইনি ব্যবস্থাপনার সাথে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই পারে ইভটিজিং সমস্যার সমাধান করতে। ইভটিজিং-এর প্রতিকার ও প্রতিরোধে তাই আমাদের উচিত ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।সুতরাং বলা যায়, উপরে আলোচিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণের মাধ্যমেই আমরা উদ্দীপকের সমস্যা তথা ইভটিজিং সমস্যার সমাধান অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি।