সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
উত্তর: সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি তথা দুর্নীতি দমন কমিশনের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুর্নীতি এখন ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়। দুর্নীতি এখন সামাজিক ব্যাধি এবং ব্যক্তির তুলনায় সামাজিক এ ব্যাধি দূর করা কঠিন, বিধায় এটিকে সামাজিক তথা রাষ্ট্রীয়ভাবে মোকাবেলা করতে হয়। এ লক্ষ্যে ২০০৪ সালে সৃষ্টি করা হয় দুদক বা দুর্নীতি দমন কমিশন। যদিও প্রাথমিকভাবে এটি তার কাঙ্খিত প্রভাব তৈরি করতে পারেনি। ২০০৭ সালে দুদকের পূর্ণ গঠনের পর পরই সংস্থাটি নতুন ভাবে কাজ শুরু করে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুদক নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একটি দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হলো দুর্নীতি।দুর্নীতির উপস্থিতি যদি প্রশাসনের বিদ্যমান থাকে তাহলে দুর্নীতিবাজরা নিজেদের স্বার্থে দেশের সম্পদ সম্পত্তি তথা স্বার্থ বিল নষ্ট করে দেশের আরো যত সৃষ্টি করতে পিছপা হবে না। এসব দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় এনের শাস্তির ব্যবস্থা করে দুর্নীতি দমন কমিশন ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশন আর্থিক সহ অপরাধ বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা, মামলা দায়ের ও পরিচালনা, দুর্নীতি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ, দুর্নীতির ভয়াবহতা ও এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং দুর্নীতির বিভিন্ন উৎসব চিহ্নিতকরণ ইত্যাদির কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে। এসব কাজের মাধ্যমেই দুদক সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্মরত ব্যক্তিদের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখে। দুদকের তদন্তের ভয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্নীতির আশ্রয় নিতে পারেনা ফলে দেশের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলতে থাকে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা কখনো অনিয়ম করার ও সাহস করে না দুদকের কার্যকরী ভূমিকার কারণে। এসব দুদক তার উপস্থিতির মাধ্যমে দুর্নীতি দমনে ভূমিকা রেখে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ভূমিকা রাখে। আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, সুশাসন হল একটি দেশের সেই ব্যবস্থা যেখানে সকল নাগরিক তাদের ন্যায্য অধিকার প্রাপ্তিতে বাধার সম্মুখীন না হয়। আর দেশের এরূপ পরিবেশ সৃষ্টিতে দুদকের ভূমিকা অপরিসীম।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
Comilla · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর