সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব— বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: হ্যাঁ, সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে ইভটিজিং থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব— এ বিষয়ে আমি একমত। ইভটিজিং প্রতিরোধে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে। পারিবারিক সুশিক্ষা ও মূল্যবোধ সমাজ থেকে ইভটিজিং নির্মূল করতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ইভটিজিং প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রকৃত শিক্ষাই জাতিকে এ ধরনের সামাজিক ব্যাধি থেকে মুক্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকগণ ইভটিজিং ও এর নেতিবাচক দিক নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতাবোধ সৃষ্টি করতে পারেন। অত্যন্ত ভয়ানক হয়ে ওঠা এই ব্যাধি দ্রুত প্রতিরোধ করার জন্য কঠোর শাস্তির বিধানের কোনো বিকল্প নেই। দেশের প্রচলিত আইনের সংস্কার করে ইভটিজিং প্রতিরোধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তবে আইন প্রণয়নের পাশাপাশি সে আইন যাতে বাস্তবায়িত হয় সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতৈক্য একান্ত অপরিহার্য। ক্ষতিগ্রস্তদের মানসিক স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা করাও জরুরি। সেই সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সামাজিক বিকাশে ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের যে দায়িত্ব রয়েছে সে সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। অতএব, বলা যায়, নাগরিক সচেতনতা ও আইনের যথাযথ প্রয়োগই সমাজকে এই সামাজিক ব্যাধি হতে মুক্তি দিতে পারে।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া …
উদ্দীপক
Rajshahi · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর