উদ্দীপকে বর্ণিত রোগটির তথা এইডসের কোন প্রতিকার ব্যবস্থা নেই। তাই প্রতিরোধ করায় এর থেকে বেঁচে থাকার একমাত্র উপায়। এর একটি সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগে মৃত্যু অবধারিত।এই রোগটি যেসব মাধ্যম দিয়ে ছড়ায় তা হল আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ, মায়ের শরীর থেকে শিশুর শরীরের সংক্রমণ, অনিদাপদ বা অনৈতিক দৈহিক মিলন ইত্যাদি। এই রোগ প্রতিরোধে তাই এসব কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। এর থেকে বেঁচে থাকার জন্য আমার সুপারিশ হলো প্রথমত সমাজের পুরুষকে সচেতন হতে হবে। কারণ এইডস রোগের প্রতিরোধে মূলত পুরুষের ভূমিকায় মুখ্য। সাধারণত,প্রবাসী পুরুষের দ্বারা আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ এইডসে আক্রান্ত হয়। তাই এইড সম্পর্কে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে এর থেকে মুক্ত থাকার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অবাধ যৌন মিলন ত্যাগ করতে হবে বা যৌন মিলনের সময় অবশ্যই কনডম ব্যবহার করতে হবে। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা, রক্ত গ্রহণের আগে রক্তদাতার রক্ত পরীক্ষা করা, আক্রান্ত ব্যক্তির অন্য কোথাও রক্ত নিয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা, সুচ- সিরিজ জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করা, গর্ভাবস্থায় মায়ের এক্স ছিল কিনা তা পরীক্ষা করা, নাগরিকের মাঝে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা সক্রিয় করা। প্রতিবছর ১ ডিসেম্বরের দিবস পালনের মাধ্যমে গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত। তাহলে এর নামক ভয়ংকর বা মৃত্যু ঘটিত রোগ থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি।এসব আলোচনা থেকে বলা যায়, এইডস কোন সাধারণ রোগ নয়। এই রোগ হলে তা থেকে প্রতিকারের আর কোন ব্যবস্থা নেই। প্রতিরোধই একমাত্র মাধ্যম। তাই এইডস প্রতিরোধে আমাদের সুপারিশ হলো এইডস সম্পর্কে সর্বমহলে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে।