“বদলে যাই, বদলে দিই বাংলাদেশ”- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেক ব্যক্তিকে দুর্নীতিমুক্ত থাকার আহ্বানে বক্তব্যটি যথার্থ। দুর্নীতি সামাজিক ব্যাধি হিসেবে আমাদের সমাজে ক্রমাগত বৃহৎ আকার ধারণ করেছে। তাই এ সংকট নিরসনে প্রয়োজন প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ অবস্থান দুর্নীতি প্রতিরোধ সচেতন থাকা। পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ নাগরিক হিসেবে দুর্নীতিবাদের বিরুদ্ধে সামাজিক জাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা, দায়িত্ব ও নীতি-নৈতিকতার বিকাশ ঘটানো। উদ্দীপকে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য সকলের প্রতি দুর্নীতিমুক্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এজন্য সকলকে দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে যেসব আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সেসব উদ্যোগকে সমর্থন বা সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকা-পয়সা ও ধন সম্পদের জোরে যারা সামাজিকভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে, সমাজের অংশ হিসেবে আমাদের সেসব দুর্নীতিবাজদের এড়িয়ে চলতে হবে বাট সম্ভব হলে তাদের বর্জন করতে হবে। দুর্নীতি যে আইন, ধর্ম ও নৈতিকতা বিরোধী একটি কাজে এই নতুন প্রজন্মের মধ্যে সঞ্চারিত করা জরুরী। আমাদের পরিবারের সমাজে সেই বো জাগ্রত করতে এগিয়ে আসতে হবে। দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষের সম্মানিত না করা।দুর্নীতি বিরোধী প্রচার-প্রচারণা সহ দুর্নীতিবাজরা এদেশ সমাজের শত্রু এ জাগরণ সৃষ্টিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। উপরোক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়,ব্যক্তি পর্যায়ে থেকে দুর্নীতির সৃষ্টি হয়। এ কারণে দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ করে,সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যক্তিকে আগে সচেতন হতে হবে, নিজেকে বদলাতে হবে। প্রত্যেক নাগরিক যদি এভাবে দুর্নীতিকে দূরে ঠেলে দেয় তাহলে দুর্নীতি প্রতিরোধ সহজ হবে ফলে বদলে যাবে বাংলাদেশ।