ইভটিজিং নামক নাগরিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। ইভটিজিং এর বহুবিধ কারণ বিদ্যমান। ইভটিজিং বলতে নারীকে উত্ত্যক্ত করা বা বিব্রত কড়াকে বোঝায়। সৃষ্টির বিবরণে জানা যায়, ইভ হলেন বাইবেল ও কোরআনে বর্ণিত পৃথিবীর প্রথম নারী বিবি হাওয়া। আর বর্তমানে ইভ বলতে সমগ্র নারী জাতিকে বোঝায়।আর টিজিং হলো হয়রানি করা। তাই ইভটিজিং বলতে বোঝায় নারীকে উত্ত্যক্ত,ঠাট্টা করা, বিরক্ত করা বা বিব্রত করা। ইভটিজিং একটি সামাজিক ব্যাধি। এর ফলে নারীদের নিরাপত্তা ব্যাহত হয়। অনেক মেয়ের শিক্ষা জীবনে অবসান ঘটে। ইভটিজিং মানুষের মানবিক মূল্যবোধকে ধ্বংস করে। মানবিকতা পর্যদস্ত হয়। উদ্দীপকে রিতা কলেজ আসা-যাওয়ার পথে কিছু বকাটে ছেলে তাকে বিরক্ত করে।এরূপভাবে নারীকে বিরক্ত করাকে ইভটিজিং বলে চিহ্নিত করা যায়। ইভটিজিং বেড়ে যাওয়ার পেছনে যে কারণটি সবচেয়ে বেশি দায়ী তাহলে পরিবারের নারীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করা ও নারীদের প্রতি বৈষম্য মূলক দৃষ্টিভঙ্গি। এছাড়াও পারিবারিক ও সামাজিক সুশিক্ষার অভাব, নৈতিক মূল্যবোধের অধঃপতন, পরিবারের শিশুর সঠিক সামাজিকীকরণের অভাব ইত্যাদি ইভটিজিংয়ের জন্য কারণ হিসেবে ধরা যায়। মাদকাসক্ত ও বেকার যুবকরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়লে বার নিজের প্রতি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে তারা ইভটিজিং করে। এছাড়াও ধর্মীয় অনুশাসনের অভাব, বিদেশি অপসংস্কৃতির অভাব, স্যাটেলাইট টেলিভিশন ইভটিজিং এর জন্য অধিকাংশই দায়ী।