উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যাটি হলো দুর্নীতি। আরে দুর্নীতি প্রতিকার সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বা দায়িত্ব পালন করতে পারে। এক্ষেত্রে সরকার সকল জনগণের নিরাপত্তা ও জীবনযাপনে উন্নত মান নির্ধারণের দুর্নীতির মতো মারাত্মক ব্যাধি প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। দুর্নীতির মত সামাজিক অবক্ষয় থেকে উত্তরণের জন্য এর বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিতে হবে। রাজনীতির প্রশ্নে যেহেতু দুর্নীতি টিকে থাকে সে তো এক্ষেত্রে জবাবদিহি মূলক রাজনীতির ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রের সুষ্ঠু বেতন কাঠামো প্রবর্তিত হলে দুর্নীতি অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব। মেধা ও যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়ন যেমন -যোগ্যতা, মেধা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে জটিলতা দূরীভূত হলে দুর্নীতি প্রবণতা কমে যাবে। প্রশাসনের সকল স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে দুর্নীতি প্রতিহত করা সম্ভব। সরকার উন্নত ও জাগ্রত মূল্যবোধ ও আইনের প্রতিবিধান দিয়ে সমাজকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার করে তুলতে পারে। দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারকে সাংবিধানিক বিধি বিধান, ধর্মীয় অনুশাসন, কঠোর আইন প্রয়োগ, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক জনমত গঠন করতে হবে। এক্ষেত্রে স্বাধীন, যথার্থ ক্ষমতা সম্পন্ন ও সক্রিয় দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা। এছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, সরকারের সুদৃঢ় ও সময়োপযোগী কর্মকৌশল গ্রহণ, দুর্নীতিবাজদের তিরস্কার ও শাস্তি প্রদান করা এবং তাদের সম্পর্কে দুর্নীতি দমন কমিশন কে অভিহিত করা, এক্ষেত্রে সৎ, নিষ্ঠাবান ব্যক্তি ও কর্মচারীদের পুরস্কৃত করার ব্যবস্থা করতে হবে অর্থাৎ রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার দুর্নীতি প্রতিকারে সরকারের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত
পরিশেষে বলা যায় দুর্নীতির মতো সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে সরকারের ভূমিকা অনস্বীকার্য।