উদ্দীপকে আকদ্দস আলী প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েছেন।
মানুষের অবিবেচনা প্রসূত কাজ যেমন -নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, প্রকৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান, শিল্প কারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া, নদীর প্রবাহ রোধ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি,আকস্মিক বিস্ফোরণ ইত্যাদির ফলে বৈষিক জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। বৈষিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আবহাওয়া পরিবর্তন ঘটছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনিয়মিত ও অনিয়ন্ত্রিত জলোচ্ছ্বাস, ঝড়,বৃষ্টি, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিন দিন বাড়ছে। বুঝি উষ্ণতার ফলের সমুদ্রপৃষ্ঠের স্থলভাগের সৃষ্ট চাপের পার্থক্য থেকে ঘূর্ণিঝড়ের উৎপাদিত হচ্ছে।সমুদ্র স্রোতের দিক পরিবর্তিত হচ্ছে এবং জলোচ্ছ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা প্লাবিত করছে। সমুদ্রের অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির ফলে উপকূলীয় এলাকা তলিয়ে যাচ্ছে। জলমগ্ন হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম।কৃষি জমি তলিয়ে যাচ্ছে, মানুষের জনমলের ক্ষতি হচ্ছে। বেরিবাদ ভেঙে ঘর বাড়ি তলিয়ে যাচ্ছে।জলোচ্ছ্বাস ও জোয়ারে পানিবন্দী হচ্ছে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার আকদ্দস আলীর মত হাজারো মানুষ। তাছাড়া সমুদ্রের লোনা পানি নদ নদীতে ঢুকে পড়ায় সুপেয় পানির অভাব দেখা দিচ্ছে এবং মিঠা পানির মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে।
উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই, গাবুরা গ্রামের আকদ্দস আলী পরিবার-পরিজন নিয়ে নদীর কাছে বসবাস করে। বিভিন্ন দুর্যোগ আম্ফান ও ইয়াস সৃষ্ট প্রবল জলোচ্ছ্বাস জোয়ারে নদীর বাঁধ ভেঙে আবারো পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন যা প্রাকৃতিক দুর্যোগকে নির্দেশ করেছে। সুতরাং বলা যায় উদ্দীপকে আকদ্দস আলী প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েছেন।