উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যা অর্থাৎ জীবাশ্ম জ্বালানোর ক্রমবর্ধমান ব্যবহারে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারে তিনটি প্রভাব নিচে আলোচনা করা হলো -
১. অতি সম্প্রতি জীবাশ্ম জ্বালানির দহন ব্যাপক তাপ বিকিরণ করে। কয়লা,গ্যাস, কাঠ প্রভৃতি দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন, কলকারখানার উৎপাদন ও ইটভাটা ইট পোড়ানোর ফলে ব্যাপক গ্যাস উদগীরণ হচ্ছে এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের অভিঘাতের কারনে পৃথিবীর উপরিভাগকে উত্তপ্ত করছে।
২. বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়ায় জলবায়ুর ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। অনাবৃষ্টি, খরা, অক্সিজেন প্রভাবহেতু জনস্বাস্থ্যের ওপর হুমকি সৃষ্টি হচ্ছে। বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়ায় জীবজন্তুর বসবাস ও খাদ্য ঘাটতি ছাড়াও ইকোলজিক্যাল ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
৩. বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ হচ্ছে ২০.৭১ ভাগ, কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমান ০.০৩ ভাগ। ক্রমাগতভাবে অতিরিক্ত বৃক্ষ নিধন, বনভূমির উজার এর ফলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বিরূপ প্রভাব পরছে পৃথিবীর জলবায়ুর উপর। পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে মেরু অঞ্চলে বরফ গলতে শুরু করছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। আর এই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলের মানুষেরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের বসতভিটা ও কর্ম ক্ষেত্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে করে তাদের সনাতন পেশা সম্মুখীন হচ্ছে।