উদ্দীপকের শাহিনের কর্মকান্ডে ইভটিজিং নামক সামাজিক সমস্যাটি প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকে বখাটে যুবক শাহীন স্কুলগামী ছাত্রীদের নিয়মিত উত্ত্যক্ত করে। যা বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ইভটিজিং এর প্রতিরুপ। ইভ' শব্দ দ্বারা রমণী বা নারী এবং 'টিজিং শব্দের আভিধানিক অর্থ পরিহাস বা জ্বলাতন 'করাকে বোঝায়। তাই শব্দগত অর্থে নারীদের বিরক্ত করাকে ইভটিজিং বলা হয়। ইভটিজিং মূলত প্রকাশ্য যৌন হয়রানি, পথে ঘাটে উত্ত্যক্ত করা বা পুরুষ কর্তৃক নারী নির্যাতিত নির্দেশক একটি শব্দ। আধুনিক সভ্য সমাজে ইভটিজিং শব্দটির যৌন হয়রানি বা সেক্সচুয়াল হ্যারাসমেন্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়। আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি, কটুক্তি, বাজে মন্তব্য, অশ্লীল কথা বলা, শিস দেওয়া, জোরপূর্বক প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া, গতিরোধ করা, পথে পিছু নেওয়া প্রভৃতি ইভটিজিং এর অন্তর্ভুক্ত।যে কোনো বয়সী পুরুষ এ কাজ করতে পারলেও সাধারণ তরুণদের মাঝে এ প্রবণতা বেশি দেখা যায়। উদ্দীপকে শাহিনের মত এরা স্কুলে কলেজগামী শিক্ষার্থী, শিক্ষিকা, কর্মজীবী নারী সবাইকে এভাবে উত্ত্যক্ত করে থাকে।
বর্তমান বাংলাদেশে ইভটিজিং শব্দটি নারী উত্ত্যক্তকরণে ব্যবহার হচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থ সামাজিক বাস্তবতায় বহুকাল থেকে নারীর বৈষম্য, সহিংসতা ও নির্যাতনের শিক্ষার। সম্প্রতিককালে উদ্বেগ জনক এ প্রবণতার ফলশ্রুতিতে নারীর আত্মহত্যা বা আত্মহরণ প্রবণতা সামাজিক সমস্যার কাতারে যোগ হয়েছে। সমাজ ও জাতির জন্য ইতিমধ্যে এই সমস্যা একপ্রকার অশনি সংকেত হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।
সুতরাং শাহিনের কর্মকান্ডে নারী নির্যাতন সামাজিক সমস্যাটি প্রকাশ পেয়েছে।