সামাজিক সচেতনতাই এইডস নামক নাগরিক সমস্যা সমাধানের প্রধান উপায়।আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত।
এইডস প্রতিরোধযোগ্য ঘাতকব্যাধি । যেহেতু আজ অবধি এ রোগের কার্যকর প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি, সেহেতু এর পরিণাম করুন মৃত্যু। এইডস প্রতিরোধে আমাদের অনেক করনীয় রয়েছে। যেমন -
* এইডস সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। এ রোগের উৎস, কারণ, আক্রান্ত ব্যক্তির করুন অবস্থায় ইত্যাদি উপলব্ধি করতে হবে।
* এইডস আক্রান্তদের ঘৃণা বা সামাজিকভাবে অবহেলা করা যাবে না।
* ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা। স্বামী স্ত্রী পরস্পরের প্রতি আস্থাশীল থাকা।
* প্রতিবছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালনে সর্বাত্মকভাবে অংশগ্রহণ করা।
* এইডস রোগের ব্যবহৃত সুচ,সিরিজ, ব্লেড,অপারেশনের যন্ত্রপাতি সঠিক পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ না হলে ব্যবহার না করা।
* এইডস এর বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে সবাইকে এগিয়ে আসা এবং সামাজিক আন্দোলনে জোরদার করে তোলা।
* সর্বোপরি এইডস সম্পর্কে নিজে সতর্ক হওয়া এবং অন্যকে সতর্ক করে তোলা।
এসব পদক্ষেপ গুলো বাস্তবায়নে নাগরিক সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। আমরা সকলে যদি এইডস প্রতিরোধকল্পে উপরিউক্ত বিষয়ের সচেতন থাকি তাহলে এ মরণব্যাধি থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।