দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লেখ রয়েছে, যুক্তিবিদ্যা অনুমানের নিয়মাবলি প্রণয়ন করে, সেগুলো যুক্তির বৈধতা নির্ণয়ের নির্ধারক হিসেবে কাজ করে। এদিক থেকে যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সুতরাং দৃশ্যকল্প-১ এ যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক স্বরূপ এবং দৃশ্যকল্প-২ যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক স্বরূপ' প্রকাশ পেয়েছে। নিচে দুটি বিষয়ই বিশ্লেষণ করা হলো-
যে বিজ্ঞান প্রকৃতির কোনো নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে কী কী আছে, তারা কীভাবে কাজ করে এবং কী কী নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয় এসব বিষয়ে আমাদেরক জ্ঞানদান করে সেই বিজ্ঞানকে তাত্ত্বিক বিজ্ঞান বলে। তাত্ত্বিক বিজ্ঞানের অনুরূপ যুক্তিবিদ্যাও নিয়মকানুন প্রণয়ন করে।যেমন- অভেদ নিয়ম, বিরোধ নিয়ম, অবধারণ গঠনের নিয়ম, যুক্তির নিয়ম প্রভৃতি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান দান করে। আর যে বিজ্ঞান অর্জিত জ্ঞানকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করতে শেখায়, সেই বিজ্ঞানকে ব্যবহারিক বিজ্ঞান বলে। ব্যবহারিক বিজ্ঞানের শিক্ষা আমাদের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে আমরা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য পূরণ করে থাকি। ব্যবহারিক বিজ্ঞানের অনুরূপ যুক্তিবিদ্যা কীভাবে অনুমান বা যুক্তির নিয়মাবলি প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে সত্যতা অর্জন করতে পারি তার যথার্থ শিক্ষা আমাদের দিয়ে থাকে। এ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়, যুক্তিবিদ্যা একটি তাত্ত্বিক ও একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান।