উদ্দীপকে পাঠ্যবইয়ে যুক্তিবিদ্যাকে নির্দেশ করে। যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক বিষয় যেমন রয়েছে তেমনি এটির বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগও রয়েছে।যুক্তিবিদ্যাকে বৈধ ও অবৈধ যুক্তির পার্থক্যকরণের বিদ্যা হিসেবে সংজ্ঞা করা হয়। অর্থাৎ, অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তিকে পৃথক করার পদ্ধতি নীতিসমূহের একটি বিশেষ বিদ্যা হলো যুক্তিবিদ্যা। যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো যুক্তি। শুদ্ধযুক্তি প্রদান যুক্তিবিদ্যার মূল লক্ষ্য। সঠিক যুক্তির জন্য যুক্তিবিদ্যা তাত্ত্বিকভাবে কিছু নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করে। কোন কোন পন্থা অবলম্বন করলে ভুল যুক্তি পরিহার করে সঠিক যুক্তি প্রদান করা করা যায় যুক্তিবিদ্যার সেসকল নিয়মগুলো সে সম্পর্কে জ্ঞান দান করে। আবার, এই নিয়মগুলোর ভিত্তিতে সঠিক যুক্তি প্রদান করতে গেলে বাস্তবে এর ব্যবহার প্রয়োজন হয় । কেননা নিয়মগুলোর ব্যাবহারিক ক্ষেত্রে প্রয়োগই নিয়মগুলোর কার্যকারিতা এবং বৈধ ও অবৈধ যুক্তির পার্থক্যকরণ স্পষ্ট করে। তাই যুক্তিবিদ্যার যেমন তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক উভয় ক্ষেত্রেই বিদ্যমান।উদ্দীপকের রিপন ডা. শিহাবকে খুব ভালো শল্য চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করেছে। আর রিপন ও ডা. শিহাবের তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক দিক উভয়ই সমৃদ্ধ বলে বক্তব্য প্রদান করেছে। উদ্দীপকের মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক দিক ও ব্যাবহারিক দিকের নির্দেশ পাওয়া যায় । যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক দিক যুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে ছাড়াও বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান যুক্তির আলোকে যুক্তিবিদ্যার বিভিন্ন বিষয় দেখার মানসিকতা তৈরি করে। এর ফলে আমরা কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে পারি। বিভিন্ন পেশায় সরাসরি যুক্তির ব্যবহার রয়েছে। যেমন- আইন, কূটনীতি ইত্যাদি। যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান এক্ষেত্রে সঠিকভাবে দ্রুত যুক্তি প্রদানে সহায়তা করে।পরিশেষে বলা যায়, যুক্তিবিদ্যার চর্চা শুদ্ধ চিন্তার অভ্যাস সাধনে সহায়তা করে। এছাড়াও যুক্তিবিদ্যা আমাদের চিন্তার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করতে ও জ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হতে সহায়তা করে ।