'তাত্ত্বিক দিক থেকে যুক্তিবিদ্যা একটি বিজ্ঞান'— উক্তিটি দৃশ্যকল্প-১ এর আলোকে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-বিজ্ঞান বলতে বুঝায় কোনো একটি বিশেষ বিভাগ সম্বন্ধে সুনিশ্চিত ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান। বিজ্ঞান যেমন তার বিষয়বস্তুকে ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু নিয়মকানুন প্রণয়ন করে তেমনি যুক্তিবিদ্যাও তাত্ত্বিকভাবে তার বিষয়বস্তুকে ব্যাখ্যা করার জন্য কতকগুলো নিয়মকানুন প্রণয়ন করে।সেদিক থেকে যুক্তিবিদ্যাকে বিজ্ঞান বলা যেতে পারে। যুক্তিবিদগনও যুক্তিবিদ্যাকে বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেছেন। যুক্তিবিদ ওয়েলটন, হ্যামিলটন, টমসন প্রমুখ এর মতে, চিন্তা বিষয়ক কতগুলো নিয়ম ও নীতি প্রদান করাই হলো যুক্তিবিদ্যার কাজ।উদ্দীপকের দৃশকল্প-১ এ বলা হয়েছে যে, সানজিদা আমেরিকার নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে গাছের সজীব কোষ থেকে টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে একই প্রজাতির অনেক গাছ উৎপাদন করার বিষয়ে সুশৃঙ্খল জ্ঞান অর্জন করেছে। তার এই তাত্ত্বিক জ্ঞান বিজ্ঞানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। যা কতকগুলো নিয়ম ও নীতির সাথে জড়িত।উদ্দীপকের বিষয়টির সাথে বিজ্ঞানের সাথে যথেষ্ট মিল রয়েছে। বিজ্ঞানের মতো যুক্তিবিদ্যাও সুশৃঙ্খল।তাই বলা যায় 'তাত্ত্বিক দিক থেকে যুক্তিবিদ্যা একটি বিজ্ঞান'- - এই উক্তিটিকে যথার্থ বলা যায়।