উদ্দীপকের মুশফিকের বক্তব্যে কলাবিদ্যা এবং ফারহানের বক্তব্যের মাধ্যমে বিজ্ঞানের বিষয়টি নির্দেশিত হয়েছে। নিচে কলাবিদ্যা ও বিজ্ঞানের সাথে যুক্তিবিদ্যার পারস্পারিক সম্পর্ক আলোচনা করা হলো-যুক্তিবিদ্যার প্রকৃতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, যুক্তিবিদ্যা কলা ও বিজ্ঞান উভয়ই ।উদ্দীপকের মুশফিক তার বক্তব্যে একটি বিষয়ের নিয়মকানুন ও পদ্ধতি বাস্তবে প্রয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করেছে। তাই মুশফিকের বক্তব্যের মাধ্যমে কলাবিদ্যার দিকটি নির্দেশিত হয়েছে। আর ফারহান তার বক্তব্যে একটি বিষয়ের নির্ধারিত নিয়মকানুন ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতির উল্লেখ করেছে। তাই ফারহানের বক্তব্যের মাধ্যমে বিজ্ঞানের দিকটি নির্দেশিত হয়েছে। আর বিজ্ঞান ও কলার সাথে যুক্তিবিদ্যার সম্পর্ক আছে।যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানের মতো সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু আলোকে যুক্তির বৈধতা- অবৈধতা নির্ণয়ক করে বুঝায়। পাশাপাশি যুক্তিবিদ্যা নিজস্ব বিষয়বস্তুকে আলোচনার জন্য কিছু নিয়ম নির্ধারণ করে এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে সূত্র প্রবর্তন করে। তাই যুক্তিবিদ্যাও একটি বিজ্ঞান। আবার, যুক্তিবিদ্যা যেসব নিয়মকানুন প্রণয়ন করে সেগুলো বাস্তবে প্রয়োগের কলাকৌশলও শিক্ষা দেয় । অর্থাৎ, যুক্তিবিদ্যা যেসব নিয়মকানুন ও পদ্ধতি প্রণয়ন করে সেগুলো বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য। তাই যুক্তিবিদ্যাও একটি কলাবিদ্যা। সুতরাং, দেখা যাচ্ছে যে, যুক্তির মধ্যে বিজ্ঞান ও কলা উভয় দিকের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে । তাই বলা যায় যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই।