উদ্দীপকে আবদুল্লাহ স্যার ও তাপসের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার সামগ্রিক দিক তথা তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান এবং ব্যাবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক উভয় দিক ফুটে উঠেছে।নিচে এর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করা হলো-যুক্তিবিদ্যার দুটি প্রধান দিক হলো— তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান বিষয়ক দিক এবং ব্যাবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ক দিক। কোনো সাধারণ নিয়মের ভিত্তিতে প্রকৃতির কোনো একটি বিশেষ বিষয়ের সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ আলোচনা হচ্ছে বিজ্ঞান। অর্থাৎ বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। অন্যদিকে, কলাবিদ্যা হচ্ছে একটি প্রায়োগিক বিদ্যা, যা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নিয়মকানুন ও কলাকৌশল শিক্ষা দেয়। যেমন—বিমানবিদ্যা শেখায় কীভাবে বিমান চালনা করতে হবে এবং শল্যচিকিৎসাবিদ্যা শেখায় সঠিকভাবে অস্ত্রোপচার করার নিয়মকানুন ও কৌশল শিক্ষা দেয় ।তেমনি উদ্দীপকে বলা হয়েছে, আবদুল্লাহ স্যার শিক্ষার্থীদের বলেন, “যুক্তিবিদ্যা নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট, সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞান দিয়ে থাকে”। অন্যদিকে তাপস বলে, “এটি আমাদের জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর কৌশলও শিক্ষা দেয়।” আবদুল্লাহ স্যারের বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞানবিষয়ক ও তাপসের বক্তব্য ব্যাবহারিক বা কলাবিদ্যা বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।তাই উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বিজ্ঞান ও কলাবিদ্যা যুক্তিবিদ্যার দুটি ভিন্ন দিক হলেও পরস্পর গভীরভাবে সম্পর্কিত। একটিকে ছাড়া অন্যটি পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না ।