উদ্দীপকে আরিয়ার পছন্দের বিষয়টির মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যা নির্দেশিত হয়েছে। বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তিবিদ্যার গুরুত্ব অপরিসীম।
যুক্তিবিদ্যা অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তির পার্থক্য করার শিক্ষা দেয়। এই বিদ্যা আমাদের ব্যবহারিক জীবনে ভুল যুক্তি প্রয়োগ রোধে সহায়তা করে। এই বিদ্যা বৈধ যুক্তির যে নীতিমালা প্রদান করে তা যে কোনো বিজ্ঞান বা গবেষণার ক্ষেত্রে সহায়ক পদ্ধতি হিসেবে কাজ করে। যে সব ক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায় না সেসব ক্ষেত্রে যুক্তিবিদ্যার শিক্ষা পরোক্ষভাবে আমাদের জ্ঞানের অগ্রগতিতে সহায়তা করে। এটি মানুষের যৌক্তিক মানসিকতা উন্নত করে এবং অহেতুক ভাবাবেগ রোধ করে। যৌক্তিক মানসিকতা যুক্তি দিয়ে বিভিন্ন বিষয় বিচার করার মানসিকতার শিক্ষা দেয় বলে এটি অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারকে পরিহার করতে সাহায্য করে।
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রকল্প প্রণয়ন থেকে শুরু করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও যাচাইকরণ পর্যন্ত যৌক্তিক পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়। তাই যুক্তিবিদ্যা বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রেও সহায়তা করে। যুক্তিবিদ্যা চিন্তা সম্পর্কে কিছু মৌলিক সূত্র বা নীতি প্রণয়ন করে। যেমন- বিরোধ নিয়ম, অভেদ নিয়ম ইত্যাদি। এসব নিয়ম বিভিন্ন বিষয় গ্রহণের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
পরিশেষে বলা যায়, যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। তাই বাস্তব জীবনে যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান প্রয়োগের অনেক গুরুত্ব রয়েছে।