উদ্দীপকের মুশফিকের বক্তব্যের মাধ্যমে কলাবিদ্যা নির্দেশিত হয়েছে। আর শিমুলের বক্তব্যের মাধ্যমে বিজ্ঞানের দিক নির্দেশিত হয়েছে।
যুক্তিবিদ্যার সাথে কলা ও বিজ্ঞান উভয় দিকের সম্পর্ক রয়েছে। কলাবিদ্যা বলতে সাধারণত দক্ষতা, পারদর্শিতা ও নৈপুণ্য বোঝায়। আবার কলা বলতে কোনো 'বিশেষ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কলাকৌশলকে বোঝায়। অর্থাৎ কলাবিদ্যা বলতে কোনো বিধিবদ্ধ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করাকে বোঝায়। যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো অনুমান। যুক্তিবিদ্যা আকারগত বিজ্ঞান হিসেবে। বৈধ যুক্তির কিছু নমুনা প্রদান করে, কিছু নিয়মকানুন শিক্ষা দেয়; যেগুলো বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য। এই অর্থে যুক্তিবিদ্যাকে কলাবিদ্যা বলে অভিহিত করা যায়। উদ্দীপকের মুশফিক তার বক্তব্যে কোনো বিষয়ের পদ্ধতি ও নিয়মকানুন বাস্তবে প্রয়োগ করার সুশৃঙ্খল কৌশল জানা এবং সেই অনুযায়ী কাজ করার কথা বলেছে। আর কলাবিদ্যা যেহেতু কোনো বিষয়ের জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কলাকৌশলকে বোঝায়, তাই মুশফিকের বক্তব্যের মাধ্যমে কলাবিদ্যা নির্দেশিত হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, যুক্তিবিদ্যার মধ্যে যেমন কলাবিদ্যার দিক বিদ্যমান রয়েছে, তেমনি বিজ্ঞানের দিকও বিদ্যমান রয়েছে। তাই যুক্তিবিদ্যা কলা ও বিজ্ঞান উভয়ই।