উদ্দীপকের ছক অনুযায়ী 'ক' রাষ্ট্রের সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষিত সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠে আমরা জেনেছি যে, সরকার যত শাসন ক্ষমতা আইন পরিষদের নিকট তার সকল কাজের জন্য দায়ী থাকে। অর্থাৎ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের উপর আইনসভার নিয়ন্ত্রণ থাকে। এ শাসন ব্যবস্থায় ফ্যাশন ক্ষমতা মন্ত্রী পরিষদের হাতে ন্যস্ত থাকে। আর রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন নামমাত্র। এ ব্যবস্থায় কেবিনেটের সদস্যগণ প্রত্যক্ষভাবে জনগণ কর্তৃক নিশ্চিত আইনসভার সদস্যের মধ্যে হতে মনোনীত হন। আইন পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। আর এ ধরনের ব্যবস্থা একাধিক বা অনেকগুলো রাজনৈতিক দল বিদ্যমান থাকে। উদ্দীপকের ছবি দেখিয়েছে যে, 'ক' রাষ্ট্রের মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের মতোই অনেকগুলো রাজনৈতিক দল রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ওপর আইনসভার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক নেতা নির্বাচিত হয়। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, 'ক' রাষ্ট্রের মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।