মি. Y- এর রাষ্ট্রপতি হলো যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা। যখন কতিপয় স্বাধীন রাষ্ট্র পরস্পর বিচ্ছিন্ন না থেকে পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে একটি সাধারণ সার্বভৌম কর্তৃত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন রাষ্ট্র গঠন করে তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলা হয়। এ ধরনের সরকারের সংবিধান কর্তৃক কেন্দ্রীয় প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বন্টন করা হয়। কেন্দ্র ও প্রাদেশিক সরকার নিজ নিজ ক্ষেত্রের স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এ সরকারের সাংবিধান প্রাধান্য স্বীকৃত।
উদ্দীপকে মি. Y এর রাস্তায় কেন্দ্রীয় প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতার সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত। এখানে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি ব্যতীত অন্য প্রায় সকল বিষয়ে প্রাদেশিক সরকার স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরূপ বর্ণনায় যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পায়। কেননা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের ব্যবস্থায় দুই ধরনের সরকার থাকে। একটি কেন্দ্রীয় সরকার এবং অন্যটি আঞ্চলিক সরকার বা প্রাদেশিক সরকার। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের মতো একটি জটিল সরকারের সাফল্য যথেষ্ট কষ্টসাধ্য। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সফলতার অন্যতম শর্ত হলো যুক্তরাষ্ট্রীয় মনোভাব পোষণ করা। অঙ্করাজ্য গুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ একান্ত জরুরী। ভৌগলিক নৈকট্য এ সরকার ব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। প্রদেশ গুলোর মধ্যে ভৌগল ক্লিক করতে না থাকলে এ সরকার সফল হতে পারেনা। এছাড়া ভাষা,সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা, সংবিধানের সর্বোচ্চ প্রাধান্য নিশ্চিত করা, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া,সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নেওয়া প্রভৃতি যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থাকে সফল করার অন্যতম শর্ত। সর্বোপরি, সুশিক্ষিত ও প্রজ্ঞাপন নাগরিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য শর্ত।