জনাব শাফায়াতের রাষ্ট্রের সংসদীয় সরকার পদ্ধতি বিদ্যমান। যে শাসনব্যবস্থার শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য সংসদ বা আইনসভার নিকট যায় থাকে, তাকে সংসদের সরকার বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলে। সংসদীয় সরকারের আইনসভা সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য যাকে আস্থাভাজন মনে করেন, তিনি সরকার প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। এজাতীয় সরকারের শাসন বিভাগের সদস্যরা আইন বিভাগের সদস্য হয়ে থাকেন এবং আইনসভার সদস্যদের মধ্য থেকে মন্ত্রিপরিষদ নির্বাচিত হয়। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হলেও মন্ত্রিপরিষদ প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী সকল নির্বাহী ক্ষমতার চর্চা করেন।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে জনাব শাফায়াতের রাষ্ট্রে আইনসভা নির্বাচনের মাধ্যমে যে দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় সে দলটি সরকার গঠন করে। যেখানে একজন নাম মাত্র রাষ্ট্রপতি থাকেন কিন্তু প্রকৃত ক্ষমতা থাকে প্রধানমন্ত্রী তথা মন্ত্রী পরিষদের হাতে। এরূপ বানানা স্পষ্ট তো সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদশ শাসিত সরকারব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পায়। কেন নাম মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় আইন পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকার গঠন করে। একজন রাষ্ট্রপতি যাকে যিনি নিয়মতান্ত্রিক। দেশের শাসন ক্ষমতার প্রকৃত প্রয়োগকারী হলো প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।যেমন বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বিদ্যমান।