উদ্দীপকে সংস্থার বিভাগ গুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আমার পঠিত বিভাগ গুলো হলো সরকার প্রধান, আইন ও বিচার বিভাগ। এ বিভাগ গুলো স্বেচ্ছাচারবোধে ক্ষমতার ভারসাম্য নীতির গুরুত্ব খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা ও নাগরিকের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য পৌর বিজ্ঞানীগণ ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ ও ভারসাম্য নীতির উদ্ভাবন করেন। ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির প্রয়োগের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য নীতির গ্রহণ করলে সরকারের প্রত্যেক বিভাগ অন্য বিভাগের কাজে কোন ভূমিকা পালন না করে সমগ্র শাসন ব্যবস্থাকে আধিপত্য বজায় রাখতে পারবে। যেমন- আইন বিভাগ আইন প্রণাম করবে, আবার বিচার বিভাগ সে আইনের বৈধতা বিচার করবে। এর ফলে আইন বিভাগ তার ইছামতে যে কোন আইন প্রণয়ন করতে পারবে না, সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করবে। উদাহরণ হিসেবে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা বলতে পারি। সেখানে সরকার ব্যবস্থা ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরন নীতির পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ ও ভাগ্য নীতির প্রয়োগ করা হচ্ছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ফ' 'ম' ও 'হ' একটি সংখ্যায় আলাদা আলাদা বিভাগে কাজ করলে মাঝে মাঝে এক বিভাগ কর্তৃক কোনো বিভাগ অল্পবিস্তর নিয়ন্ত্রণে হয়ে থাকে। অর্থাৎ এর দ্বারা ক্ষমতার ভারসাম্য নীতি প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, একচ্ছত্র ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির প্রয়োগ সরকারের বিভাগগুলোকে স্বেচ্ছাচারী আচরণের সুযোগ করে দেয়। এ কারণে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ ও ভারসাম্য নীতির প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে সরকারি বিভাগ গুলো স্বাধীনভাবে তাদের কাজ পরিচালনা করতে পারে। একই সাথে অন্যান্য বিভাগ গুলোর কাজের প্রতি পরস্পরের নজরদারি থাকে বলে কেউ জনবিরোধী কোনো কাজ করতে পারবে না। ফলে সরকারের বিভাগ গুলো স্বেচ্ছাচারী হতে পারেনা।