উদ্দীপকে উল্লেখিত 'ক' রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে সংবিধানের মাধ্যমে ক্ষমতা বণ্টনের ভিত্তিতে যে সরকার গঠিত হয় তাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার বলে। এ পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করে। উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার ক্ষেত্রেও দেখা যায়, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার বিদ্যমান, প্রত্যেক প্রদেশ স্বায়ত্তশাসিত, দেশ রক্ষা ও পররাষ্ট্র কেন্দ্রের কাজ, সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব বণ্টন। অর্থাৎ 'ক' রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারে দ্বৈত প্রশাসন ব্যবস্থা স্বীকৃত হওয়ায় 'কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক' এই দুই ধরনের সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। মুদ্রা, বৈদেশিক সম্পর্ক, দেশরক্ষা প্রভৃতি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে এবং অন্যান্য বিষয়গুলো প্রাদেশিক সরকারের হাতে অর্পণ করা হয়। সাংবিধানিকভাবে প্রাদেশিক সরকারের আইন প্রণয়ন ও আইনসভা পরিচালনার ক্ষমতা থাকলেও তাদের হাতে কোনো সার্বভৌম ক্ষমতা থাকে না। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা থাকে। প্রথম কক্ষ রাষ্ট্রের জনগণের এবং দ্বিতীয় কক্ষটি আঞ্চলিক বা প্রাদেশিক সরকারসমূহের প্রতিনিধিত্ব করে। এছাড়া দ্বি-নাগরিকত্ব, লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান, বিচার বিভাগের, প্রাধান্য প্রভৃতি যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।