সুন্দর নাগরিক জীবন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে উক্ত সরকার ব্যবস্থা তথা গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত পোষণ করছি। আধুনিক বিশ্বের প্রচলিত সরকার ব্যবস্থার মধ্যে গণতন্ত্র হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় শাসন ব্যবস্থা। কেননা, গণতন্ত্রে জনগনের অধিকার রক্ষার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এ শাসক ব্যবস্থায় জনগণই সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস। গণতন্ত্র মানেই হলো জনগণের শাসন। এজন্য গণতন্ত্রের সুন্দর এবং নিরাপদ নাগরিক জীবন প্রচেষ্টা সহজ হয়। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রটিতে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। আর গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা জনগণের দ্বারা পরিচালিত হয় বলে এখানে সুন্দর নাগরিক জীবন প্রতিষ্ঠার সহজ হয়। কারণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা জনগণ নিজেরাই নিজেদের মধ্য থেকে সরকার নির্বাচন করে। জনগণের সব ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়। সরকারকে জনগণের সমর্থন নিয়েই ক্ষমতায় যেতে হয়। আবার জনগণের আস্থা বা সমর্থন হারালে সরকার ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। গণতন্ত্রে প্রত্যেক নাগরিকেরই সামরিক দল গঠনের ও নির্বাচনে অধিকার আছে। এজন্যই অধ্যাপক সিলি বলেন, " গণতন্ত্র হচ্ছে এমন এক ধরনের সরকার যেখানে সকলেরই অংশগ্রহণের সুযোগ আছে। " গণতন্ত্রের সরকার তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট জবাবদিহিতা করতে বাধ্য। গণতন্ত্র আইন এর শাসনকে সমুন্নত রাখে। তাছাড়া গণতন্ত্রে বংশমর্যাদা বা ধন-সম্পদের জন্য কাউকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয় না। এখানে ধনী-দরিদ্র,ছোট -বড়, সাধারণ- অভিজাত সবাই সমান। সুতরাং বলা যায়, সুন্দর নাগরিক জীবন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম।