উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' সরকার ব্যবস্থা সাথে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার মিল রয়েছে। যে শাসন ব্যবস্থার শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য অন্য সদস্য বা আইন সবার নিকটদায়ী থাকে, তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় সরকার বলে। অধ্যাপক গার্নারের মতে, “সংসদীয় বা মন্ত্রী পরিষদ শাসিত শাসন ব্যবস্থা হল এমন এক ধরনের শাসন ব্যবস্থা, যেখানে প্রকৃত শাসক মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।”উদ্দীপকে 'ক' সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান এবং শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট দায়ী এবং প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান। অর্থাৎ 'ক' দেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। যেখানে সরকার তার কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট দায় থাকে। সংসদীয় বা মন্ত্রী পরিষদ শাসিত শাসন ব্যবস্থা একজন নাম মাত্র রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন, সরকার পরিচালনার প্রকৃত ক্ষমতা থাকে আইন সভার আস্থাভাজন মন্ত্রিসভার হাতে। প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মন্ত্রিসভার নেতা, সংগঠক ও সরকার প্রধান, মন্ত্রিসভা যতদিন পর্যন্ত আইনসভা আস্থাভাজন থাকবেন ততদিন শাসন ক্ষমতা পরিচালনা করতে পারবে। আইনসভার অনাস্থা প্রকাশ পেলে মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করবে। মন্ত্রিসভার সদস্যগণ আইনসভার সদস্য। মন্ত্রীগণ ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে সংসদের নিকট জবাব দিয়ে তা করেন।শাসন বিভাগ ও মন্ত্রিসভা জনগণের প্রতিনিধিসভা অর্থাৎ আইনসভার নিকট তাই থাকে বলে এ সরকারকে দায়িত্বশীল সরকার ও বলা হয়ে থাকে।