উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টির ক্রমবিকাশের ধারা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি হলো যুক্তিবিদ্যা। নিচে যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশের ধারা ব্যাখ্যা করা হলো- যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশের ধারাকে প্রাচীনকাল থেকে সাম্প্রতিক কাল পর্যন্ত ৪টি অংশে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো- ১. প্রাচীন যুগ, ২. 'মধ্যযুগ,৩. আধুনিক যুগ, ৪. সাম্প্রতিক যুগ। ১. প্রাচীন যুগ: যুক্তিবিদ্যায় প্রাচীন দার্শনিকদের মধ্যে অন্যতম হলেন সক্রেটিস, প্লেটো ও অ্যারিস্টটল। তারা সকলেই যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সক্রেটিসের' মতে, জ্ঞান হলো বিশেষ থেকে সার্বিকে উপনীতি হওয়ার পদ্ধতি। প্লেটোর অনেক সংলাপেই ন্যায়, সত্য, ঈশ্বর প্রভৃতি সংজ্ঞা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অ্যারিস্টটল গঠনমূলক চিন্তা পদ্ধতির মাধ্যমে বিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে যুক্তিবিদ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করেন। যার জন্য তাকে যুক্তিবিদ্যার জনক বলা হয়। ২. মধ্যযুগ: মধ্যযুগের যুক্তিবিদ্যা বলতে, মূলত স্কলাস্টিক যুক্তিতত্ত্বকেই নির্দেশ করে। আল-ফারাবি, ইবনে সিনা, ইবনে রুশ মধ্যযুগীয় দর্শনের ক্রমবিকাশে বিশেষ অবদান রাখেন। মধ্যযুগে যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক প্রসার ঘটে। ৩. আধুনিক যুগ: রেনেসাঁ পরবর্তী সময় যুক্তিবিদ্যা ক্রমবিকাশের আধুনিক যুগ ধরা হয়েছে। এ যুগে প্রচলিত যুক্তিবিদ্যার আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়। আধুনিক যুগের যুক্তিবিদ্যার ৫টি পর্যায়ে বিভক্ত। লাইবনিজ, বাট্টান্ড, রামেশ হোয়াইটহেড, ফ্রেগে প্রমুখ দার্শনিকগণ যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশের ধারাকে সাম্প্রতিক কাল পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে আসেন। ৪. সাম্প্রতিক যুগ: গাণিতিক ধারার যুক্তিবিদ জর্জ বুল-এর মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যার সমকালীন ধারাটি শুরু হয়। তিনি যুক্তিবিদ্যার গাণিতিক পদ্ধতি প্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়া জেমস মিলি, ডিমরগণ, আরভিং এম কপি, যোসেফ প্রমুখ যুক্তিবিদগণ যুক্তিবিদ্যার ক্রমবিকাশের ধারায় বিশেষ অবদান রাখেন।
HSC Logic 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 1st Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টির ক্রমবিকাশের ধারা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
Barisal · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর