হ্যাঁ, এশা তাসনিম নয়, রিফাহ তাসনিয়াই শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি আমি এ কথার সাথে একমত।
মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এবং রাষ্ট্রপতি হলেন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মূখ্য নির্বাহী। তিনি হলেন সমগ্র শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা গঠিত হয় ও পরিচালিত হয়, ক্ষমতায় টিকে থাকে। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা স্বীয় পদে বহাল না থাকলে মন্ত্রীদের প্রত্যেকেই পদত্যাগ করেছেন বলে গন্য হয়। জাতীয় সংসদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থা হারালে কিংবা প্রয়োজনবোধে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ প্রধান করতে পারেন।
রাষ্ট্রপতি উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারী, বিচারক, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রভৃতি নিয়োগ করতে পারলেও কার্যত তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমেই নিয়োগ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করেন। প্রধানমন্ত্রী হলেন তার নিজ দলের নেতা। প্রধানমন্ত্রী শুধু সংসদের নেতা, মন্ত্রিসভার মধ্যমণি, দলের নেতা এবং রাষ্ট্রপতির পরামর্শ দাতাই নন; তিনি হলেন জাতির নেতা ও পথপ্রদর্শক। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা এবং জাতীয় সংহতির প্রতীক। বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার তিনি হলেন মধ্যমণি, মন্ত্রিসভার মূল স্তম্ভ। তিনি হলেন এমন একটি সূর্য যার চারদিকে রাজনৈতিক গ্রহগুলো আবর্তিত হয়।
সুতরাং উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, রাষ্ট্রপতি নয়, প্রধানমন্ত্রী হলেন বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি।