উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্রিটেনের সরকার প্রধানের সাথে বাংলাদেশের সরকার প্রধানের বেশকিছু সাদৃশ্য রয়েছে।বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। এই ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান এবং শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তাকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। তার নিয়োগ এবং কাজের সাথে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের মিল লক্ষণীয়।ব্রিটেনের সরকার প্রধান জনগণের ভোটে নির্বাচিত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও এমনটি দেখা যায়। সংবিধান অনুযায়ী যে সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করবেন। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সংসদীয় নেতাকেই রাষ্ট্রপতি সংসদের আস্থাভাজন সদস্য বলে মনে করেন। আবার, ব্রিটেনের সরকার প্রধান আইন প্রণয়নে নেতৃত্ব দেন। তবে তিনি আইনসভায় জবাবদিহি করতে বাধ্য। বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীই জাতীয় সংসদের নেতা বলে বিবেচিত হন। সংসদ নেতা হিসেবে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তার ভূমিকাই মুখ্য। সংসদের উত্থাপিত কোনো বিল পাস না হলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে সংসদ ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন। তবে এতো ক্ষমতা সত্ত্বেও তার কাজের জন্য আইনসভায় তাকে জবাবদিহি করতে হয়। এই আলোচনা থেকেই উদ্দীপকের সরকার প্রধান এবং বাংলাদেশের সরকার প্রধানের সাদৃশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।