উদ্দীপকে 'খ' কলামে প্রদত্ত বৈশিষ্ট্যসমূহের সাথে বাংলাদেশ সংবিধানের পার্থক্য নিরূপণ কর।
উত্তর: স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়েই ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশ সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে গণ্য হয়। এটি একটি লিখিত ও প্রগতিশীল সংবিধান, যার মাধ্যমে গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের শাসনতন্ত্র, শাসনব্যবস্থা ও নাগরিক অধিকার নির্ধারণে এ সংবিধান ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে।উদ্দীপকে 'খ' কলামে উল্লেখ করা হয়েছে-দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা এবং সম্পত্তির দুই ধরনের মালিকানা। বাংলাদেশের সংবিধানে এ বৈশিষ্ট্যগুলোর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। প্রথমত, বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বি-কক্ষ নয় বরং এককক্ষবিশিষ্ট, যার নাম জাতীয় সংসদ। এতে সরাসরি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সদস্যরাই আইন প্রণয়ন করে থাকেন। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রপতি এখানে রাষ্ট্রপ্রধান হলেও শাসনক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিপরিষদের হাতে ন্যস্ত-অর্থাৎ, এটি একটি সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা। তৃতীয়ত, বাংলাদেশে সম্পত্তির তিন ধরনের মালিকানা অনুমোদিত-রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত; যা একটি অধিকতর বিস্তৃত ও জনগণের স্বার্থরক্ষামূলক অর্থনৈতিক কাঠামো গঠন করে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো বাংলাদেশের সংবিধানকে অন্যান্য কাঠামোর তুলনায় অধিক গণতান্ত্রিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনমুখী করেছে।উপরের আলোচনায় স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের সংবিধান উদ্দীপকে উল্লিখিত কাঠামোর তুলনায় জনগণের ক্ষমতায়ন ও অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা গঠনে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। এটি বেশি জনকল্যাণমুখী ও গণতান্ত্রিক।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে 'খ' কলামে প্রদত্ত বৈশিষ্ট্যসমূহের সাথে বাংলাদেশ সংবিধানের …
Chittagong · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর