উদ্দীপকে বর্ণিত দেশটির সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্যসমূহ আলোচনা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত দেশটির সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের পুরোপুরি সাদৃশ্য রয়েছে। সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে অর্থাৎ ১১ এপ্রিল একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি একটি খসড়া সংবিধান তৈরি করে। ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপিত হয়। ৪ নভেম্বর সংবিধান বিলটি গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবস থেকেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত দেশটির সংবিধানের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, দীর্ঘ নয় মাস সংগ্রাম করে 'ক' রাষ্ট্রটি স্বাধীনতা অর্জন করে। তারপর কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিবৃন্দের সমন্বয়ে একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি ব্রিটেন এবং ভারতের সংবিধানের উত্তম বিষয়সমূহের অনুকরণে একটি সংবিধান রচনার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এতে জনগণের মৌলিক অধিকারসমূহ ও রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়। উক্ত সংবিধানে সংসদীয় ব্যবস্থার উত্তম বৈশিষ্ট্যসমূহও প্রতিফলিত হয়। এ সংবিধান দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সংশোধন করা হয়। উল্লিখিত বিষয়গুলো মূলত ১৯৭২ সালের সংবিধানকেই নির্দেশ করে। কাজেই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত দেশটির সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্য বিদ্যমান।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত দেশটির সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্যস…
উদ্দীপক
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর