"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উক্ত নীতিমালাটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক- উক্তিটি যথার্থ।সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ এসব সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। সুশাসনের ফলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়, আইনের শাসন নিশ্চিত হয় এবং মানুষের মৌলিক অধিকার একটি নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আসে। এ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সংবিধানকে গতিশীল ও যুগোপযোগী করা আবশ্যক। পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রেই সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে একটি উত্তম সংবিধান। সমাজ ও রাজনীতি যেমন পরিবর্তনশীল তেমনি সংবিধানও নিয়ত পরিবর্তনশীল। গতিশীল রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থার সাথে খাপখাওয়াতে পৃথিবীর যে কোনো দেশের সংবিধান সংশোধন অত্যাবশ্যক। সমাজ ও রাজনীতির অগ্রগতি ও প্রগতির সাথে সাথে সংবিধানের যদি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিবর্ধন সূচিত না হয় তাহলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এমনকি বিপ্লব সংগঠনের সম্ভাবনা দেখা দেয়। রাষ্ট্রীয় কল্যাণ ব্যাহত হয়। সর্বোপরি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত হয়। কাজেই সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধান পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত, সংযোজিত এবং বিয়োজিত করা হয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশের সংবিধানে সংশোধনী এসেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিষয়টি সমভাবে প্রযোজ্য।পরিশেষে বলা যায়, সংবিধান সংশোধন যদি জনগণের কল্যাণে করা হয় তবে সংবিধান সংশোধন সুশাসন বয়ে আনে।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
"উক্ত নীতিমালাটির সংশোধন সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক"- বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপক
Sylhet · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর