হ্যাঁ, উদ্দীপকের 'খ' বা স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থায় জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী হবে- এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত পোষণ করছি।স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন হলো গণতন্ত্রের সূতিকাগার, যেখানে জনগণের সরাসরি ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। যখন স্থানীয় নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়, তখন তাদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা ও দায়িত্বশীলতা জাগ্রত হয়। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রসার ঘটে এবং সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যা সমাধানে সরাসরি ভূমিকা রাখার সুযোগ পায়।জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম শর্ত। লর্ড ব্রাইস এজন্যই স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে 'গণতন্ত্রের বিদ্যালয়' বলে অভিহিত করেছেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই মানুষ বাস্তব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক আদর্শের শিক্ষা লাভকরে, যা জাতীয় পর্যায়ের নেতৃত্ব গঠনে সহায়তা করে।পরিশেষে বলা যায়, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ কেবল স্থানীয় উন্নয়নকেই ত্বরান্বিত করে না, বরং রাষ্ট্রের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামোকে সুদৃঢ় ও সচল রাখতে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।