উক্ত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদের সকল নির্বাচিত ব্যক্তিকে রাজুর মতো হওয়া উচিত। কেননা চেয়ারম্যানের একক প্রচেষ্টায় পরিষদের সকল কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা যায় না। পরিষদের অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা চেয়ারম্যানকে সমানভাবে সহযোগিতা করলেই সার্বিক জনকল্যাণ সাধিত হবে। উদ্দীপকের রাজু গ্রামীণ স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান তথা চেয়ারম্যান। তিনি জনগণের বিভিন্ন ঝগড়া বিবাদ মিটিয়ে থাকেন। নানান কাজে প্রায়ই উপজেলা ও জেলা সদরে যান। এসব কাজের বাইরেও তাকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। যেমন- i. ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং রাস্তার ধারে বৃক্ষরোপণ করা; ii. কৃষির উন্নয়নে উন্নতমানের বীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহ করা; iii. প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য দাতব্য হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা; iv. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা তৈরি করা; v.মৎস্য চাষ, পশুপালন ও পশুসম্পদ উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া; vi. দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা; vii. জন্ম-মৃত্যু ও বিবাহ রেজিস্ট্রি ও সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রভৃতি।ইউনিয়ন পরিষদের উপযুক্ত কর্মকাণ্ড তত্ত্বাবধানের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যদেরও চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করা উচিত। এতে করে ইউনিয়ন পরিষদের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত হবে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিকগণ যদি সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের নির্বাচিত করে তবেই ইউনিয়ন পরিষদ তার আশানুরূপ ভূমিকা পালন করতে পারবে।