উক্ত প্রতিষ্ঠানকে অর্থাৎ সিটি কর্পোরেশনকে অধিক কার্যকর করার ক্ষেত্রে জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। যেমন-
দক্ষ, যোগ্য ও উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচন: সিটি কর্পোরেশনের যাবতীয় কর্মকান্ডে জনগণ অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। যেমন- মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে জনগণ সরাসরি অংশগ্রহণ করে। ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তারা তাদের দক্ষ, যোগ্য ও উপযুক্ত প্রার্থীকে মেয়র ও কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত করতে পারে।শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা: নির্বাচিত প্রতিনিধিদের' সাথে থেকে মহানগরীতে সন্ত্রাস দমন, চুরি-ডাকাতি ও হাইজ্যাক রোধ ও প্রতিরোধে সহযোগিতা করতে পারে।
গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা: সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে মহানগরীর জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে।শিক্ষা-সংস্কৃতির বিস্তার: শিক্ষা-সংস্কৃতির বিস্তারে সিটি কর্পোরেশনকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতে পারে।জনস্বাস্থ্য রক্ষায়: জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সিটি কর্পোরেশনকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতে পারে।পরিশেষে বলা যায়, নগরবাসী সিটি কর্পোরেশনের কর্মকান্ডের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নেও অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে। সিটি কর্পোরেশনের জনগণের এরূপ অংশগ্রহণ সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে যেমন সহায়ক হবে তেমনি গণতন্ত্রকে সুদৃঢ়, সুসংহত ও শক্তিশালী করতে জনগণের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।