বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে সুলতান আলীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণকারী কমিশনের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
উত্তর: বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে সুলতান আলীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানটি হলো দুর্নীতি দমন কমিশন।উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে, সুলতান আলী চাকরিতে যোগদানের পর ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেন এবং তা বিদেশে পাচার করেন। একটি কমিশন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অর্থাৎ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এই কমিশনটি হলো দুর্নীতি দমন কমিশন।দুর্নীতি দমন কমিশন বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যার প্রধান লক্ষ্য রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে দুর্নীতি নির্মূল করা। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের মাধ্যমে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই কমিশন জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও অভিযুক্তকে গ্রেফতারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা রাখে। দুর্নীতি দমন কমিশন বাংলাদেশের দুর্নীতি প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এটি বিভিন্ন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত করে এবং প্রয়োজন হলে আদালতের দ্বারস্থ হয়। এ প্রতিষ্ঠানটি সাক্ষী তলব, জেরা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা আইনগতভাবে লাভ করেছে, যা তাকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী ভূমিকা পালনে সক্ষম করে। যদিও এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবুও এটি জনসচেতনতা গড়ে তোলা এবং প্রশাসনিক খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। তাছাড়া দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও দলমতনিরপেক্ষ প্রয়োগ থাকলে কমিশন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।সুতরাং বলা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন বাংলাদেশের দুর্নীতি প্রতিরোধে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান, তবে এর সর্বোচ্চ সফলতা নির্ভর করে সমন্বিত প্রয়াস ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে সুলতান আলীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা …
উদ্দীপক
Mymensingh · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর