একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমি যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণে সুপারিশ করবো সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো—
সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অর্থবহ নির্বাচনের কতগুলো পূর্বশর্ত রয়েছে। একটি যুগোপযোগী আইনি কাঠামো, নির্ভরযোগ্য ভোটার তালিকা ও যথাযথভাবে নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণ, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও যুগোপযোগী নির্বাচন কমিশন এবং নিরপেক্ষ সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রভৃতি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পাদন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচনি মাঠে কালো টাকা ও পেশিশক্তির অনুপস্থিতি, সর্বোপরি নাগরিকের অংশগ্রহণ। কেননা, নাগরিকের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো নির্বাচন অর্থবহ হতে পারে না।
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নাগরিকগণই সকল ক্ষমতার উৎস। ভোটাধিকারপ্রাপ্ত নাগরিকগণ যোগ্য ও উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করার মাধ্যমে সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন। নাগরিকগণ জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নাগরিকগণ প্রশাসনকে সার্বিকভাবে সহায়তা প্রদান করে থাকেন। এছাড়া ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি, নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন ও সংস্কার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিরপেক্ষতা, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান, আইনের শাসন প্রভৃতি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অত্যাবশ্যক।